• ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিসে তুলকালাম, পুলিশ-পুরসভার কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি
    বর্তমান | ২৭ আগস্ট ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, বৃহস্পতিবার বিকেলে ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে বিলবোর্ড খোলাকে ঘিরে তুলকালাম। এদিন পুরসভার আধিকারিকদের সঙ্গে যান পুলিশ কর্মীরাও। অভিযোগ, অবৈধভাবেই ওই বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে। তবে শুরুতে তা মানতে চাননি ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরসভার আধিকারিকদের কাছে অর্ডারের কপি দেখতে চান। এরপরই শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। দাবি করা হয়, অর্ডারের কপিটি ঠিক নেই। এমনকী তা বৈধ নয় বলেও অভিযোগ তোলা হয়। এরপরই পুরসভার আধিকারিকরা ফিরে যান। এর কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য ফিরে আসেন তাঁরা। সঙ্গে প্রচুর পুলিশ কর্মী। অভিযোগ তাঁদের ভিতরে ঢুকতে বাধা দেন তৃণমূল কর্মীরা। শুরু হয় ধস্তাধস্তি। অভিষেক ঘনিষ্ঠরা বিজেপি এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করেন। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। শেষমেশ পুলিশ এবং পুরসভার আধিকারিকরা গেট দিয়ে ঢুকে সোজা বিল্ডিংয়ের ছাদে চলে যান। হেলমেট পরে সিঁড়ি দিয়ে তাঁদের ছাদে উঠতে দেখা যায়। এরপর বিলবোর্ডটি ভেঙে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত তৃণমূলের মহিলা কর্মীরা অভিযোগ করেন, তাঁদের হেনস্তা করা হয়েছে। 

    অভিষেক দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই এই ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে। জোর করে তৃণমূলকে ধ্বংস করার চেষ্টা করা চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। বলেন, আমাদের এত ভয় কিসের? ঘাসফুলকে যত কাটবে তত বাড়বে। ক্যামাক স্ট্রিটে দোকান-ফুটপাথে বহু বিলবোর্ড রয়েছে। সেগুলি তাহলে কেন খুলে ফেলা হচ্ছে না? আমরা আদালতের দ্বারস্থ হব। এই গুণ্ডাগিরির বিরুদ্ধে মামলা করব। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যান বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় এবং ডেরেক ও’ব্রায়েনরাও। অন্যদিকে, বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, বেআইনি নির্মাণ হলে তাহলে সেটি ভাঙতে দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে কেন? কেন, কী কারণে পুলিশ-পুরসভার কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া হল সেই বিষয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। অপরদিকে, সুকান্ত মজুমদার বলেন, চোরেন মায়ের বড় গলা। এত দাদাগিরি কিসের জন্য? অভিষেক নিজেকে কী অক্ষয়কুমার মনে করছেন?
  • Link to this news (বর্তমান)