• মোদির জনপ্রিয়তায় খামতি নেই, এখন ভোট হলে কত আসন পাবে এনডিএ? কী বলছে দেশ?
    প্রতিদিন | ২৮ আগস্ট ২০২৬
  • নিট থেকে ই-২০, কৃষক থেকে পড়ুয়া, গত কয়েকমাসে দেশজুড়ে বিদ্রোহ ও আন্দোলনে জর্জরিত হয়েছে মোদি সরকার। সোশাল মিডিয়ায় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে ঢালাও প্রচার চললেও বাস্তবে দেশের মন কিন্তু এখনও ঝুঁকে মোদি শাসনের দিকেই। সম্প্রতি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘ইন্ডিয়া টুডে’র ‘মুড অফ দ্য নেশন’ (MOTN Survey 2026)-এ প্রকাশ্যে এল সেই তথ্য। যেখানে দাবি করা হয়েছে, এখনই দেশে লোকসভা নির্বাচন হলে ৩২৬টি আসন জিতে ফের ক্ষমতায় আসবে এনডিএ। এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির গ্রহণযোগ্যতাই সবচেয়ে বেশি।

    সি ভোটার দ্বারা পরিচালিত ‘মুড অফ দ্য নেশন’-এর আগস্ট ২০২৬-এর যে রিপোর্ট সামনে এসেছে সেখানে দেখা যাচ্ছে, এখনই যদি দেশে লোকসভা ভোট হয় তবে বিজেপি পাবে ২৬১টি আসন। ৬ মাস আগে এই সংস্থার যে রিপোর্ট সামনে এসেছিল সেখানে বিজেপির আসন সংখ্যা ছিল ২৮৭। অর্থাৎ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় (ম্যাজিক ফিগার ২৭২) ক্ষমতাসীন ছিল বিজেপি। তবে এবার সেই সংখ্যাটা কিছুটা কম হলেও এনডিএ শরিকদের সাহায্যে ক্ষমতায় আসতে বিজেপির কোনও বাধা থাকবে না। এই সমীক্ষায় কংগ্রেসের পরিসংখ্যানও বেশ আশাব্যঞ্জক। রিপোর্ট অনুযায়ী, এখনই ভোট হলে কংগ্রেস ১০৬টি আসন জিতবে। গত জানুয়ারি মাসের রিপোর্টে কংগ্রেসের আসন সংখ্যা ছিল ৮০টি। অর্থাৎ আসন বাড়তে চলেছে হাত শিবিরের।

    ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে ৪০০ পারের স্লোগান দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল বিজেপি। রিপোর্টে স্পষ্ট, যে গত দু’বছরে গেরুয়া শিবিরের জনপ্রিতায় কিছুটা ভাটা পড়লেও এনডিএ-র প্রতি ভোটারদের আস্থা অটুট রয়েছে। তবে দাবি করা হচ্ছে, ২০২৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে জেন-জি শাসকদলের মাথাব্যথা হয়ে উঠতে চলেছে। যদিও, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তায় বিশেষ ভাটা পড়েনি। ৪৮.৭ শতাংশ মানুষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদিকেই চান। এর পাশাপাশি তালিকায় যথাক্রমে রয়েছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (২৭.১%), টিভিকে প্রধান থলপতি বিজয় (৯.২%), তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (২%), সপার অখিলেশ যাদব (১.৭%), সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে (১.৩%) এবং আপের আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল (১.২%)। 

    উল্লেখ্য, প্রতি বছর ২ বার ‘দ্য মুড অফ দ্য নেশন’-এর রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। চলতি বছরের দ্বিতীয় সংস্করণের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল ১ জুলাই থেকে ২৫ আগস্টের মধ্যে। ২৫,১৮৪ জনের থেকে তথ্য নেয় সমীক্ষক সংস্থা।
  • Link to this news (প্রতিদিন)