‘সংখ্যাগরিষ্ঠ জেন জি আরএসএসে আছে’, দাবি বিজেপি নেতার
প্রতিদিন | ২৮ আগস্ট ২০২৬
নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার পর থেকে ভারতে শুরু হয় তরুণদের বিক্ষোভ। গোটা দেশের চর্চায় উঠে আসে জেন জি। কিন্তু এবার বিজেপির সহ-সভাপতি রাম মাধব দাবি করলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ জেন জি রয়েছে এদেশেই। এবং বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপিতেও দেশের নব্য প্রজন্মের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি ব্যাপক।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই মাধবকে বলতে শোনা যায়, ”আমি বিজেপি থেকে এসেছি। আমাদের ‘ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা’ নামে একটি যুব শাখা রয়েছে। আমাদের দলে বিপুল সংখ্যক তরুণ অনুসারী রয়েছেন যাঁরা সরকারের এবং প্রধানমন্ত্রী মোদীর পাশে আছেন। এছাড়া আরএসএস, যা দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী যুব সংগঠন, সেখানেও জেন জি-র সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এছাড়া ‘অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ’ (এবিভিপি)-তেও ওঁদের উপস্থিতি অত্যন্ত ব্যাপক।” মাধবের দাবি, জেন জি বলতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারী তরুণদেরই বোঝায় না, বরং এর পরিধি আরও বিস্তৃত।
সেই সঙ্গেই তিনি বলেন, ‘‘ভারত এমন একটি দেশ যেখানে বিপুল সংখ্যক তরুণ জনগোষ্ঠী রয়েছে। আমাদের তরুণদের নিয়ে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। ভারতের যে কোনও তরুণ গোষ্ঠী— তাঁদের কোনও উদ্বেগ বা সমস্যা থাকলে—তা সরকারের কাছে তুলে ধরতে পারে। বর্তমান সরকার সবসময়ই তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহী। আর গত মাসে দিল্লিতে ঠিক সেটাই ঘটেছে।” পাশাপাশি তাঁর আবেদন, দেশের তরুণ প্রজন্মকে এভাবে নানা ভাগে বিভক্ত করা বন্ধ হোক। মাধবের কথায়, ”বর্তমানে প্রচলিত হওয়া নতুন সব পরিভাষা—যেমন জেন জি, জেন আলফা বা মিলেনিয়াল— এ বিষয়ে আমাদের কিছুটা সতর্ক হতে হবে। আমরা আমাদের তরুণ প্রজন্মকে কত ভাগে বিভক্ত করতে চাই?”
উল্লেখ্য, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ-সহ একাধিক দাবি থেকে একচুল নড়েনি জেন জি। অথচ পুরো আন্দোলনটাই ছিল মোটের উপর শান্তিপূর্ণ। পরে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পরে আন্দোলন শেষ হয়। কিন্তু সেই সময় থেকেই জেন জি-কে চর্চার শেষ নেই দেশে।