ক্যামাক স্ট্রিটে বেআইনি জমায়েত, পুলিশকে বাধা-আক্রমণ! অভিষেক-ডেরেকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের
প্রতিদিন | ২৮ আগস্ট ২০২৬
কালীঘাট তৃণমূলের কার্যালয়ের হোর্ডিং খোলাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার বিকেলে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ক্যামাক স্ট্রিট। পুলিশ ও পুরসভার কর্মীদের সঙ্গে দফায় দফায় বিতর্কে জড়ান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন-সহ অন্যান্যরা। কর্মীরা পুলিশের উপর চড়াও হন বলেও অভিযোগ। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দায়ের হল দুটি মামলা। তাতে নাম রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও ব্রায়েন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়-সহ অন্যান্যদের। সেই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ক্যামাক স্ট্রিটের ওই বিল্ডিংয়ের সাত তলায় অভিষেকের অফিস। তৃণমূলের বড় বিলবোর্ড লাগানো ছিল সেখানে। সেটি অবৈধ, এই অভিযোগে বৃহস্পতিবার বিকেলে কলকাতা পুরসভার আধিকারিকেরা সেখানে পৌঁছোন। সঙ্গে ছিল পুলিশও। ওই অফিসে থাকা নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তিও হয় একপ্রস্থ। অভিযোগ, অভিষেকের অফিসে ঢুকতে গেলে কলার ধরে পুলিশকে মারধর করা হয়। বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী সিঁড়িতে পড়ে যান বলেই খবর। পুরকর্মীদেরও বারবার বাধা দেওয়া হয়। অভিষেক-বাহিনীর প্রতিকূলতা পেরিয়ে ‘বেআইনি’ বিলবোর্ডটি খোলা হলেও, সেখানে থেকে পুরসভার আধিকারিক এবং পুলিশ চলে যেতেই ফের আরও একটি তৃণমূলে নাম-প্রতীক চিহ্ন দেওয়া ব্যানার সেখানে ঝোলানো হয়।
অশান্তির পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা পুরসভার বিজ্ঞাপন বিভাগের ডেপুটি ম্যানেজার সুদীপকুমার বসুর অভিষেক, ডেরেক, হুমায়ুন কবীর, বৈশ্বানর-সহ তৃণমূল কর্মীদের লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেখানে বেআইনি জনসমাবেশ, পুরসভার আধিকারিক ও পুলিশ কর্মীদের উপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা, সরকারি সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি ছিনিয়ে নেওয়া, ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে দাবি করা হয়েছে। পার্ক স্ট্রিট থানার সার্জেন্ট সুজিতকুমার মণ্ডলের অভিযোগেও পুলিশের কাজে বাধা-সহ একাধিক অভিযোগ করা হয়েছে।