স্ত্রীকে খুনের পরেই আত্মহত্যা করলেন স্বামী। অভিযোগ, স্ত্রী বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছেন এমন সন্দেহ করতেন স্বামী। আর এই সন্দেহের বশেই স্ত্রীকে খুন করেন তিনি। এর পরেই আত্মঘাতী হন ওই ব্যক্তি। বাড়িতে সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে তাঁর দেহ। কর্নাটকের ধারওয়াড় জেলার ঘটনা।
পুলিশ সূত্রে খবর,মৃতদের নাম সালমা (২২) এবং মৌলাসাব (২৮)। রাজমিস্ত্রি এবং দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন মৌলাসাব (Moulasab)। বছর তিনেক আগে তাঁদের বিয়ে হয়। ওই দম্পতির দেড় বছরের একটি সন্তানও আছে বলে শুক্রবার জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাতে এই খুন এবং আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ধারওয়াড় (Dharwad)-এর গারগ গ্রামে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, স্ত্রীর অন্য কারোর সঙ্গে সম্পর্ক আছে বলে সন্দেহ করতেন মৌলাসাব। এই নিয়ে ওই দম্পতির মধ্যে প্রায় দিনই বচসা হতো।
আধিকারিকরা জানিয়েছেন,ওই দু’জনের মধ্যে বিরোধ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে আত্মীয়স্বজনরা দু’দিন আগে একটি পারিবারিক সমঝোতা বৈঠক করেছিলেন। তবে এর পরেই তাঁদের মধ্যে বিরোধ আবারও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে।
ধারওয়াড়-এর পুলিশ সুপার গুঞ্জন আর্য জানিয়েছেন,বৃহস্পতিবার রাতেই সালমা এবং মৌলাসাবের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এর পরেই পুলিশ গিয়ে দু’জনের দেহ উদ্ধার করে। সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল মৌলাসাবের দেহ আর মাটিতে পড়েছিল সালমার দেহ বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।
পুলিশ সূত্রে খবর, সালমাকে তাঁর স্বামী ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে খুন করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন সালমার এই আত্মীয়া। স্ত্রীর চরিত্র নিয়েও সন্দেহ করতেন মৌলাসাব বলেও অভিযোগ। এই নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কারোর সঙ্গে সালমার সম্পর্ক ছিল কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এই আধিকারিক।