• সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক নাড্ডার, সরকারের অবস্থান কী? প্রশ্ন ককরোচ পার্টির
    প্রতিদিন | ২৯ আগস্ট ২০২৬
  • জাতিভিত্তিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে ফের রাজনৈতিক বিতর্ক। ‘রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলন’ (Anti Reservation Protest)-এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার (JP Nadda) বৈঠকের পরই সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুললেন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকে। একই সঙ্গে এই আন্দোলন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অবস্থান কী, তাও স্পষ্ট করার দাবি তুলেছেন তিনি।

    গত ২১ আগস্ট দিল্লির যন্তর মন্তরে জাতিভিত্তিক সংরক্ষণ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ হয়। আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল, সরকারি চাকরি ও শিক্ষাক্ষেত্রে সুযোগ সুবিধার ক্ষেত্রে জাতির পরিবর্তে আর্থিক পরিস্থিতিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হোক। ২৭ আগস্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা আন্দোলনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকের পর নাড্ডা জানান, ২১ আগস্টের আন্দোলনের পর নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী হর্ষ দুবে, রণবাহাদুর সিং চৌহান এবং মৃত্যুঞ্জয় পাঠক-সহ আন্দোলনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ‘সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা’ হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও বৈঠক হবে বলেও জানান তিনি। তবে আলোচনার বিস্তারিত বিষয়বস্তু বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনও নির্দিষ্ট আশ্বাসের কথা প্রকাশ্যে জানাননি নাড্ডা।

    নাড্ডার এই অবস্থা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন অভিজিৎ দীপকে। তাঁর দাবি, ২১ আগস্টের আন্দোলনের কথা নাড্ডা তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করে উল্লেখ করছেন না কেন। তাঁর বক্তব্য, দেশের মানুষের জানা দরকার-এই আন্দোলন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতামত কী। তিনি সোশাল মিডিয়ায় নাড্ডাকে উদ্দেশ করে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করার দাবি জানান। নাড্ডার বৈঠক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আম আদমি পার্টি-ও। দিল্লি আপ সভাপতি সৌরভ ভরদ্বাজ সংরক্ষণ পুনর্বিবেচনার দাবির প্রসঙ্গ তুলে কেন্দ্রের অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    প্রসঙ্গত, আন্দোলনকারীদের মূল দাবি হল জাতিভিত্তিক সংরক্ষণ ব্যবস্থার পরিবর্তে আর্থিক পরিস্থিতিকে সংরক্ষণের অন্যতম প্রধান ভিত্তি করা। পাশাপাশি সংরক্ষিত শ্রেণির মধ্যে ‘ক্রিমি লেয়ার’ নীতির প্রয়োগ বা আয়ভিত্তিক বঞ্চনার বিষয়টি আরও কঠোর করার দাবি উঠেছে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)