ফের বাড়ল সিএনজি গ্যাসের দাম, প্রভাব পড়বে পরিবহণে
eTV Bharat | ২৯ আগস্ট ২০২৬
নয়াদিল্লি, 29 অগস্ট: প্রতি কেজিতে দাম বাড়ল কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস বা সিএনজি (CNG)-র ৷ এক বিজ্ঞপ্তিতে ইন্দ্রপ্রস্থ গ্যাস লিমিটেড (IGL) জানিয়েছে, শনিবার সকাল ছ'টা থেকে দিল্লি ও সংলগ্ন শহরগুলিতে কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস বা সিএনজি (CNG)-র দাম প্রতি কেজিতে 3.89 টাকা বাড়ানো হয়েছে।
ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়ন বা রাজধানী অঞ্চলের প্রধান গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থা আইজিএল (IGL) ৷ সংস্থা জানিয়েছে, সিএনজি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাসের একটি বড় অংশ আসে আমদানিকৃত এলএনজি (LNG) থেকে। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজি-র 'স্পট রেট' বা প্রাথমিক কেনাবেচার দর উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গিয়েছে। আইজিএল তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, "আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজি-র দাম চড়া ৷ এর ফলে খরচের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েছে ৷ কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির কিছুটা ভার সামাল দিতে সিএনজি-র দামে প্রতি কেজিতে 3.89 টাকার এই সংশোধনী আনা জরুরি হয়ে পড়েছে।" সংস্থা আরও জানিয়েছে, শনিবার সকাল ছ'টা থেকেই সিএনজি-র এই নতুন দাম কার্যকর হবে।
দাম বৃদ্ধির ফলে দিল্লিতে সিএনজি-র দাম প্রতি কেজিতে 83.09 টাকা থেকে বেড়ে 86.98 টাকা হয়েছে। এই নতুন দাম নয়ডা, গ্রেটার নয়ডা, গাজিয়াবাদ এবং গুরুগ্রাম-সহ সংলগ্ন বেশ কয়েকটি শহরেও কার্যকর হবে। নয়ডা ও গাজিয়াবাদে এখন সিএনজি-র দাম হবে প্রতি কেজি 95.59 টাকা এবং গুরুগ্রামে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি 92.01 টাকা। দামের এই সাম্প্রতিক বৃদ্ধির ফলে গাড়িচালক এবং বাণিজ্যিক যানবাহনের চালকদের উপর বাড়তি আর্থিক চাপ পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে ৷ কারণ তারা সিএনজি-র উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। দাম সংশোধনের ফলে অটো-রিকশা, ট্যাক্সি, অ্যাপ ক্যাব পরিষেবা এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক পরিবহণ পরিষেবার সঙ্গে যুক্তদের জ্বালানি বাবদ খরচ বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। এর প্রভাব সাধারণ মানুষের উপর পড়বে বলেও মনে করা হচ্ছে ৷
সিএনজি চালিত ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকদেরও জ্বালানির জন্য এখন বেশি খরচ করতে হবে। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে সিএনজি-র দাম কয়েক দফায় বৃদ্ধির পর আবারও এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটল। এর আগে মে মাসে আইজিএল দিল্লিতে সিএনজি-র দাম প্রতি কেজিতে 2 টাকা বাড়ানোর ঘোষণা করেছিল। তারও কয়েক দিন আগে, 26 মে থেকে প্রতি কেজিতে 1 টাকা দাম বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছিল; অর্থাৎ সিএনজি-র দাম ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখীই ছিল।