• ইউএস থেকে ‘জ্যাভলিন মিসাইল’ কিনছে নয়াদিল্লি, সই চুক্তি
    এই সময় | ৩০ আগস্ট ২০২৬
  • নয়াদিল্লি: ‘গানার’ পজ়িশন বদল করে লক্ষ্য স্থির করতে পারে স্বয়ংক্রিয় ভাবে, মানুষই বইতে পারে ও কাঁধে নিয়েই করা যায় অপারেশ‍ন — আমেরিকা থেকে এমনই অত্যাধুনিক ও যুদ্ধক্ষেত্রে পরীক্ষিত ক্ষেপণাস্ত্র কেনার পরিকল্পনা করছে ভারত।

    ভারতের মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর তাঁর অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডলে জানালেন, খুব শিগগিরই মার্কিন মুলুক থেকে ৬০টি জ্যাভ‍লিন অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাই‍ল কিনতে চলেছে নয়াদিল্লি। ভারতীয় সেনাবাহিনীকে আরও মজবুত করে তু‍লতে ইতিমধ্যেই ইউএসের সঙ্গে ২৯২ কোটি টাকার এই সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। চলতি অর্থবর্ষের শেষের দিকে ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ভারতে ডেল‍িভারি শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে।

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়াদিল্লির সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে গত নভেম্বরেই এফজিএম–১৪৮ জ্যাভলিন ক্ষেপণাস্ত্র ভারতকে বিক্রির প্রস্তাবে অনুমোদন দেয় ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট। শুক্রবার এ কথা জানিয়ে গোর ল‍েখেন, ভারত-আমেরিকার সম্পর্ক এখন যে পর্যায়ে রয়েছে, তাতে দুই দেশের যৌথ ভাবে জ্যাভলিন মিসাইল তৈরি করারও একটা সম্ভাবনা রয়েছে। এই মিসাইল দীর্ঘ বছর ধরেই মার্কিন সেনা ও নৌবাহি‍‍নীতে ব্যবহৃত হচ্ছে। রয়েছে একাধিক বৈদেশিক ক্রেতাও।

    ট্যাঙ্ক ধ্বংসকারী এই মিসাইল বর্তমানে যৌথ ভাবে তৈরি করে লকহিড মার্টিন এবং আরটিএক্স (রেথিওন)। এই অস্ত্রের বিশেষত্ব হলো ‘ফায়ার অ্যান্ড টার্গেট’ প্রযুক্তি। যেখানে জ্যাভলিন থেকে বিস্ফোরক নিক্ষেপ করার পরেও সেটিকে আর কমান্ড দিতে হয় না। নিশানা স্থির করতে এটির মধ্যে রয়েছে এক স্বয়ংক্রিয় মেকানিজ়ম। ট্যাঙ্ক-সহ একটি ধীরগতির হেলিকপ্টার এমনকী, বাঙ্কার ধ্বংস করতেও এটি সক্ষম। প্রায় ২৩ কেজির পোর্টেবল এই অস্ত্র একজন সৈনিক কাঁধে নিয়ে সহজেই পরিচালনা করতে পারেন।

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়াদিল্লির সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে গত নভেম্বরেই এফজিএম–১৪৮ জ্যাভলিন ক্ষেপণাস্ত্র ভারতকে বিক্রির প্রস্তাবে অনুমোদন দেয় ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট। শুক্রবার এ কথা জানিয়ে গোর ল‍েখেন, ভারত-আমেরিকার সম্পর্ক এখন যে পর্যায়ে রয়েছে, তাতে দুই দেশের যৌথ ভাবে জ্যাভলিন মিসাইল তৈরি করারও একটা সম্ভাবনা রয়েছে। এই মিসাইল দীর্ঘ বছর ধরেই মার্কিন সেনা ও নৌবাহি‍‍নীতে ব্যবহৃত হচ্ছে। রয়েছে একাধিক বৈদেশিক ক্রেতাও।

    ট্যাঙ্ক ধ্বংসকারী এই মিসাইল বর্তমানে যৌথ ভাবে তৈরি করে লকহিড মার্টিন এবং আরটিএক্স (রেথিওন)। এই অস্ত্রের বিশেষত্ব হলো ‘ফায়ার অ্যান্ড টার্গেট’ প্রযুক্তি। যেখানে জ্যাভলিন থেকে বিস্ফোরক নিক্ষেপ করার পরেও সেটিকে আর কমান্ড দিতে হয় না। নিশানা স্থির করতে এটির মধ্যে রয়েছে এক স্বয়ংক্রিয় মেকানিজ়ম। ট্যাঙ্ক-সহ একটি ধীরগতির হেলিকপ্টার এমনকী, বাঙ্কার ধ্বংস করতেও এটি সক্ষম। প্রায় ২৩ কেজির পোর্টেবল এই অস্ত্র একজন সৈনিক কাঁধে নিয়ে সহজেই পরিচালনা করতে পারেন।

  • Link to this news (এই সময়)