রাজ্যে ফের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটে ২৩ অগস্ট ঝাড়গ্রামে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রবিবার অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে সকাল থেকেই ঝাড়গ্রাম-বাঁকুড়া ৫ নম্বর রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হন এলাকার সাধারণ মানুষজন। এ দিন এঠালা মোড়ে টায়ার জ্বালিয়ে, হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন গ্রামের বাসিন্দারা। খবর পেয়ে বিক্ষোভকারীদের সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। উত্তেজিত গ্রামবাসীরা অভিযুক্ত যুবকের বাড়িতে ভাঙচুর চালায় বলেও অভিযোগ।
গত ২৩ অগস্ট রবিবার স্থানীয় এক টোটোচালক নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে টোটোতে চাপিয়ে টিউশন নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে জঙ্গলের দিকে নিয়ে যায়। সেখানেই তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার কথা কাউকে বললে স্কুল ছাত্রীকে প্রাণে মেরে ফেরার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ভয়ে ঘটনার কথা পরিবারের কাউকে না জানিয়ে স্কুল যাওয়া বন্ধ করে দেয় নাবালিকা।
দু’দিন স্কুল না যাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা নাবালিকাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানতে পারে তার সঙ্গে এই পাশবিক অত্যাচার হয়েছে। ২৫ অগস্ট মঙ্গলবার নাবালিকার পরিবারের পক্ষ থেকে বেলপাহাড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্তে নেমে ওই দিন রাতেই অভিযুক্ত রূপকুমার দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বর্তমানে অভিযুক্ত জেলবন্দি। এ দিন অভিযুক্ত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন গ্রামবাসীরা।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, শুধু গ্রেপ্তার করলেই হবে না, দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে। একইসঙ্গে অভিযুক্তকে সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে। ঝাড়গ্রামের পুলিশ সুপার মানব সিংলা বলেন, ‘অভিযোগ জমা হয়েছিল, গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। ওই নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে দ্রুত চার্জশিট জমা দিয়ে যাতে ট্রায়াল শুরু করা যায় তা নিয়ম মেনেই হচ্ছে।’