Durgapur Nehru Statue Row: দুর্গাপুরে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মূর্তি ভাঙার অভিযোগ। কংগ্রেসের দাবি, ক্রেন দিয়ে মূর্তিটি তুলে নিয়ে গিয়ে স্কুলের পাশের ঝোপঝাড়ের মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়েছে।পুলিশের কাছে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। তা না হলে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। তাদের পাল্টা দাবি, কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। বিজেপিকে রাজনৈতিক ভাবে হেয় করতেই তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে বলে দাবি পদ্মশিবিরের।
ঘটনাটি পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরের। হর্ষবর্ধন প্রাথমিক স্কুলের কাছে একটি মেডিটেশন সেন্টার রয়েছে। তার সামনেই দীর্ঘ দিন ধরে জওহরলাল নেহরুর একটি মূর্তি ছিল। অভিযোগ, শুক্রবার সেখানে রাখিবন্ধন কর্মসূচি চলাকালীন মূর্তিটি সরিয়ে দেওয়া হয়।
কংগ্রেসের দাবি, ক্রেন এনে নেহরুর মূর্তি তুলে স্কুলের পাশের ঝোপের মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়। ওই কর্মসূচিতে বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের পাশাপাশি দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়কও উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি কংগ্রেসের।
রবিবার বিষয়টি নিয়ে সরব হন পশ্চিম বর্ধমান জেলা কংগ্রেস সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী। তাঁর বক্তব্য, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর মূর্তির সঙ্গে এমন আচরণ অত্যন্ত অসম্মানজনক। তিনি বলেন, নেহরুর মূর্তি এই ভাবে ফেলে দেওয়ার ঘটনা তাঁরা মেনে নেবেন না। পুলিশকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার জন্য ২৪ ঘণ্টার সময় দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
কংগ্রেসের এই অভিযোগ ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, এই ঘটনার পিছনে বিজেপির কোনও যোগ নেই। তাঁর বক্তব্য, দুর্গাপুরে কংগ্রেসের মধ্যেই একাধিক গোষ্ঠী রয়েছে। তাঁদেরই একটি অংশের বিরুদ্ধে মূর্তি সরানোর অভিযোগ তুলে বিজেপিকে দায়ী করার চেষ্টা হচ্ছে।
বিজেপি বিধায়কের আরও দাবি, কংগ্রেসের একটি অংশ তৃণমূলে যোগ দিয়েছে। তাঁরাই নেহরুর মূর্তি সরিয়ে রেখে পরে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন বলে দাবি করেন তিনি।