দোকানে ঢুকে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ উঠল সিভিক ভলান্টিয়ার প্রসেনজিৎ আঁশের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, রেহাই পাননি ওই দোকানের এক মহিলা কর্মচারীও। রবিবার হাওড়ার সাঁতরাগাছির এই ঘটনার ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে চ্যাটার্জিহাট থানার পুলিশ। তবে এই নিয়ে অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ারের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ও স্বর্ণ ব্যবসায়ীর সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক দিন আগে দোকানে একটি গয়না তৈরি করতে দিয়েছিলেন এক ব্যক্তি। নির্ধারিত দিনে সেটি ডেলিভারিও দেওয়া হয়। কিন্তু গয়নাটি পছন্দ না হওয়ায় শুরু হয় কথা কাটাকাটি। বচসা তীব্র আকার নেয়। অভিযোগ, এর পরেই সিভিক ভলান্টিয়ার বন্ধুকে ডেকে নিয়ে আসেন ওই ব্যক্তি।
মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রসেনজিৎ দোকানে ঢুকিয়ে চোটপাট শুরু করে দেন বলে অভিযোগ। তবে দোকানদার বুবুন চট্টোপাধ্যায় জানান, ডিজাইন পছন্দ না হওয়ায় তিনি দু’বার ওই গয়না তৈরি করে দিয়েছেন। এর পরে আর সম্ভব নয়। অভিযোগ, এর পরেই হামলা করেন প্রসেনজিৎ। দোকান মালিককে বেধড়ক মারধর করা হয়। রেহাই পাননি দোকানে কর্মরত এক মহিলা কর্মচারীও। তাঁকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ দোকান কর্তৃপক্ষের।
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে দোকান মালিকের পক্ষ থেকে চ্যাটার্জিহাট থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। অভিযুক্ত প্রসেনজিৎ জগাছা থানার সিভিক ভলান্টিয়ার। তাঁর বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছে। যদিও এ দিনের ঘটনা নিয়ে তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা এবং ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
১. কোথায় সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে?
হাওড়ার সাঁতরাগাছি এলাকার একটি সোনার দোকানে এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ।
২. কার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে?
জগাছা থানার সিভিক ভলান্টিয়ার প্রসেনজিৎ আঁশের বিরুদ্ধে স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও এক মহিলা কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
৩. কী নিয়ে এই ঘটনার সূত্রপাত?
এক ব্যক্তি দোকানে গয়না তৈরি করতে দিয়েছিলেন। গয়না তৈরি হওয়ার পর সেটির ডিজাইন পছন্দ না হওয়ায় দোকানদারের সঙ্গে তাঁর বচসা হয়। অভিযোগ, এর পরেই ওই ব্যক্তি সিভিক ভলান্টিয়ার বন্ধুকে ডেকে আনেন।
৪. শুধু স্বর্ণ ব্যবসায়ীকেই কি মারধর করা হয়েছিল?
না। দোকান কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, স্বর্ণ ব্যবসায়ী বুবুন চট্টোপাধ্যায়ের পাশাপাশি এক মহিলা কর্মচারীকেও ঘুষি মারা হয়।
৫. ঘটনার পর পুলিশ কী করেছে?
ঘটনার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। চ্যাটার্জিহাট থানার পুলিশ ঘটনার সত্যতা ও সম্পূর্ণ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ারের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।