• শিয়ালদহ স্টেশনে নেই পর্যাপ্ত জল, কাজ করেনি অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থাও, দমকলের অভিযোগে কী যুক্তি রেলের?
    প্রতিদিন | ৩১ আগস্ট ২০২৬
  • চলতি মাসেই তারাপীঠ এবং নিউ মার্কেটে বড়সড় দু’টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দু’টি ঘটনাতেই প্রাণ হারান ৯ জন করে মোট ১৮ জন। তা সত্ত্বেও কি অগ্নিকাণ্ড নিয়ে এখনও সতর্ক হয়নি কলকাতা? সোমবার সকালে শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরের খাবারের দোকানে আগুনের ঘটনায় আরও একবার উঠছে সে প্রশ্ন। দমকল এবং রেল কর্তৃপক্ষের মধ্যে চলছে অভিযোগ এবং তা নস্যাৎ করার পালা।

    দমকল আধিকারিকদের দাবি, খবর পাওয়ামাত্রই তাঁরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। দমকলের তিনটি ইঞ্জিন পৌঁছয়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজও শুরু হয়। তবে স্টেশন চত্বরের পাইপলাইন থেকে একটুও জল পাননি। দমকলের নিজস্ব জল দিয়ে স্টেশন চত্বরের খাবারের দোকানের আগুন নেভাতে হয়েছে। তার ফলে স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা বেগ পেতে হয়। এছাড়া ওই দোকানটিতে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা আদৌ যথাযথ ছিল কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন দমকল আধিকারিকরা। এদিকে, এই ঘটনার পরই শিয়ালদহ ডিভিশনের ডিআরএম রাজীব সাক্সেনা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। দমকলের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে খারিজ করে দিয়েছেন তিনি। ডিআরএমের দাবি, বিষয়টি খতিয়ে না দেখে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়। তিনি জানান, বিধ্বংসী আগুন নয়। ধোঁয়ার জন্য যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। আপাতত আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে।

    জানা গিয়েছে, এই দোকানটিতে গত বছরেও আগুন লেগে যায়। বছর গড়াতে না গড়াতেই ফের একই দোকানে আগুনের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ডিআরএমের দাবি, ওই দোকান মালিকের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হয়েছে। এদিকে, আগুনের তীব্রতায় সম্পূর্ণ ভস্মীভূত গোটা দোকান। ভেঙে পড়েছে চিমনি। দমকলের তরফে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কীভাবে ওই দোকানটিতে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শর্ট সার্কিট নাকি অন্য কিছু তা দেখছেন দমকল আধিকারিকরা। 
  • Link to this news (প্রতিদিন)