• আদি BJP নেতা বলেই পুরভোটে টিকিট মিলবে না, বার্তা সুকান্তর, তা হলে কারা পাবেন?
    আজ তক | ৩১ আগস্ট ২০২৬
  • দুর্গাপুজো মিটলেই রাজ্যে ফের বাজবে ভোটের দামামা। ইতিমধ্যেই কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগমের নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ময়দানে নেমে পড়েছে বিজেপি শিবির। এবার পুরভোটে কাদের প্রার্থী করা হবে সেই নিয়ে বড় আপডেট দিলেন পুরভোটে কলকাতার ইনচার্জ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।  যিনি পুরভোটে জেতার ক্ষমতা রাখেন, তাঁকেই টিকিট দেবে বিজেপি। সাফ এমন কথা জানিয়ে দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন,‘যাঁরা ভোটে জিততে পারবে, তাঁরাই টিকিট পাবে। সেক্ষেত্রে তাঁদের জনপ্রিয়তা, পরিচিতি, কাজকর্ম সব খতিয়ে দেখা হবে।'

    সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, পুরসভা নির্বাচনের প্রার্থী নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এত তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই। নির্বাচনের প্রার্থী ঝাড়াই-বাছাইয়ের সময় কোন বিষয় দেখা হবে, কোন মাপকাঠিতে টিকিট দেওয়া হবে সেটা জানাতে গিয়ে তিনি বলেছেন, যে জিতবে, তাঁকেই প্রার্থী করবে বিজেপি। দলের সঙ্গে কে কতদিন যুক্ত সেটা বিচার্য নয়। 

    সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘যাঁরা ভোটে জিততে পারবে, তাঁরাই টিকিট পাবে। সেক্ষেত্রে তাঁদের জনপ্রিয়তা, পরিচিতি, কাজকর্ম সব খতিয়ে দেখা হবে। যা লোকাল নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়। বিজেপির সঙ্গে কে কতটা যুক্ত সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। পুরসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে এটা ফ্যাক্টর নয়। নির্বাচন যে জিততে পারবে, তাঁকে টিকিট দিতে হয়। পার্টির সংগঠনের ক্ষেত্রে হয়তো ভাববেন কে পার্টির পুরনো লোক, কে নতুন লোক। কিন্তু, ভোটে যে জিততে পারবেন, তিনিই প্রার্থী।’  

    তাহলে কি আসন্ন পুরভোটে ‘নব্য বিজেপি’দেরও টিকিট পাওয়ার চান্স রয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তরে সুকান্ত মজুমদার বলেন, 'এই বিষয়ে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আর কারা নব্য বিজেপি? বিজেপি তো কাউকে যোগদান করায়নি। এখন কেউ যদি নিজেকে বিজেপি নেতা মনে করে, তাহলে তো কিছু করার নেই।'

    টিকিট বণ্টন নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, 'নির্বাচন জেতানো এবং সংগঠন দুটো আলাদা বিষয়। আদি- নব্য বলে কিছু নেই তার কারণ বিজেপিতে কাউকে যোগদান করানো হয়নি ভোটের পর।' প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে কারা অগ্রাধিকার পাবেন, সেই প্রশ্নের উত্তরে সুকান্ত মজুমদার বলেন, 'ঝাড়াই বাছাই করে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। সমাজে যাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, সৎ ভাবমূর্তি, জনসংযোগ ভাল- এই বিষয়গুলি দেখেই প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। দীর্ঘদিন ধরে বিজেপি-র সঙ্গে যুক্ত বা বিজেপি করেন, এমন কোনও শর্ত নেই। যে ভোটে জিততে পারবে তাঁকে টিকিট দেওয়া হবে।'

    প্রসঙ্গত, কলকাতা এবং হাওড়া পুরসভার নির্বাচন পরিচালনা করতে বিজেপি ইতিমধ্যেই তাদের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ময়দানে নামিয়েছে। কলকাতার দায়িত্বে সুকান্ত মজুমদার এবং হাওড়া পুরসভা নির্বাচনের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা। পুরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দুই কেন্দ্রেই বারবার বৈঠক, সাংগঠনিক আলোচনা এবং জনসংযোগের কাজ চলছে।  উল্লেখ্য, কলকাতা পুরসভায় ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের জেরে ২০৯টি ওয়ার্ড হবে বলে জানা গিয়েছে। ওই হিসেব অনুযায়ী, বিজেপিকে পুরসভার ক্ষমতা দখল করতে গেলে ১০৫টি আসন পেতে হবে। 
  • Link to this news (আজ তক)