চলন্ত সিঁড়ি থেকে লিফট! ২৫০ কোটি ব্যয়ে হাওড়া মাছের বাজার সাজাবে শুভেন্দুর সরকার
প্রতিদিন | ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এবার হাওড়া স্টেশনে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিশ্বমানের মাছের বাজার তৈরির পরিকল্পনা নিল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। হাওড়া স্টেশনে যেখানে পুরোনো মাছের বাজার আছে ওখানেই তৈরি হবে নতুন অত্যাধুনিক মানের মাছের বাজার। ৬ তলা বিল্ডিং করে নতুন এই মাছের বাজারটি তৈরি হবে। নতুন ওই মাছের বাজারে থাকবে আধুনিক ব্যবস্থা। থাকবে চলন্ত সিঁড়ি, লিফট। এছাড়াও আলাদা করে থাকবে পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও। সোমবার হাওড়া জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের নিয়ে হাওড়া স্টেশন চত্বর পরিদর্শন করতে এসে মাছের বাজার নিয়ে রাজ্য সরকারের এহেন পরিকল্পনার কথা জানালেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী উমেশ রাই।
নতুন মাছ বাজারের পরিকল্পনার কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী আরও জানান, মাছ বাজারে মার্কেটিংয়ের আলাদা জায়গা হবে। ওখানে যে সমস্ত কর্মচারীরা কাজ করেন তাঁদের থাকার জন্যও আলাদা ব্যবস্থা করা হবে। কর্মচারীদের জন্য আধুনিকমানের স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি হবে। মাছের বাজারে যে সমস্ত বিক্রেতারা আসবেন তাঁদেরও থাকার জায়গা করা হবে। প্রসঙ্গত, এদিন মন্ত্রী হাওড়া জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের নিয়ে হাওড়া স্টেশন চত্বর ঘুরে দেখেন। হাওড়া ব্রিজে নামার মুখ, হাওড়া স্টেশনের সাবওয়ে, হাওড়া বাসস্ট্যান্ড ঘুরে দেখেন। কীভাবে এই এলাকার উন্নতি ও আধুনিকীকরণ করা যায় সে ব্যাপারে পরিকল্পনা করেন। এদিন মন্ত্রী উমেশ রাই ছাড়াও এই পরিদর্শনে ছিলেন হাওড়ার জেলাশাসক পি দীপাপ প্রিয়া, পুর কমিশনার তেজস্বী রানা, কেএমডিএ, রেল ও হাওড়া সিটি পুলিশের পদস্থ কর্তারা।
এদিন পরিদর্শনের পর মন্ত্রী উমেশ বললেন, ‘‘আমরা আজ দেখে গেলাম, এরপর পরিকল্পনা করে সব কাজই খুব তাড়াতাড়ি শুরু করব। হাওড়া বাসস্ট্যান্ডের কাজ একটু বড় আছে। হাওড়া বাসস্ট্যান্ডের কাজ আমরা অস্থায়ীভাবে শুরু করছি। আমরা এর জন্য পরিকল্পনা করে নিয়েছি। হাওড়া বাসস্ট্যান্ড যেটা ভেঙে পড়ছে এখানে আমরা নতুন শেড করার কাজ করছি। সেটা খুব শীঘ্রই হয়ে যাবে এছাড়াও আগামীদিনে আমাদের হাওড়া স্টেশন চত্বরকে নিয়ে আরও বড় পরিকল্পনা আছে।’’ মন্ত্রীর কথায়, ‘‘হাওড়া বাসস্ট্যান্ডের ছাদ ভেঙে পড়ছে। সাবওয়েতে ঢুকে গেলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। চারদিকে অব্যবস্থা। কলকাতা বাসস্ট্যান্ড, হাওড়া বাসস্ট্যান্ড, দিঘা বাসস্ট্যান্ডে চারদিকে নোংরা আর ভাঙাচোরা অবস্থায় আছে। আমাদের পরিকল্পনা হাওড়া স্টেশনকে আধুনিক করা। একটা টাস্ক ফোর্স তৈরি করবো যে টাস্ক ফোর্স পুরো বিষয়টা নিয়ে পরিকল্পনা করবে। আগামীদিন যাতে এখানকার মানুষ বাস যাত্রী, ট্রেন যাত্রী সবাই ভালো পরিষেবা পেতে পারে। আধুনিক পরিষেবা পেতে পারে সেই কাজের জন্যই আমরা এখানে একত্রিত হয়ে ঘুরেছি, দেখেছি। এটা রাজ্যের মুখ্য দুয়ার। গত ৫০ বছর এখানে কোনও উন্নয়ন হয়নি।’’