• যাদবপুরের আঁচ এ বার মালদায়, কলেজ গেটে SFI-ABVP সংঘর্ষ, বেধড়ক মারধরের অভিযোগ
    এই সময় | ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • যাদবপুরের আঁচ এ বার মালদায়। সোমবার রাতে তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ল SFI ও ABVP-র সদস্যরা। প্রথমে বচসা, সেখান থেকে হাতাহাতি। মুহূর্তের মধ্যে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় মালদা কলেজ চত্বর। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। তবে এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেননি মালদা কলেজ কর্তৃপক্ষ।

    মালদা কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন স্টুডেন্টস হেলথ হোমের বৈঠক ছিল। সেই বৈঠক শেষে বেরোনোর সময়ে কলেজের গেটের কাছে SFI-এর মালদা জেলা সম্পাদক কৌশিক মৈত্রকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই কলেজ চত্বরে জড়ো হন বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা। শুরু হয় বিক্ষোভ।

    ABVP-র সদস্যরাই জেলা সম্পাদককে মারধর করেছে বলে অভিযোগ SFI-এর। ঘটনার পরে রাতেই মালদহ কলেজ গেট লাগোয়া রাস্তা অবরোধ করেন SFI সদস্যরা। বেশ কিছু বাস, ট্রাক আটকে পড়ে। যানজট বেঁধে যায়। ঘটনাস্থলে চলে আসে পুলিশ। তারাই পরিস্থিতি সামাল দেয়। কিছুক্ষণ পরে অবরোধ ওঠে।

    জখম কৌশিককে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। গোটা ঘটনার দায় ABVP-র উপরে চাপিয়ে SFI সদস্য মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘কৌশিকদাকে ব্যাপক মারধর করেছে। তাঁকে বাঁচাতে গেলে DYFI-এর জেলা সম্পাদককেও মারধর করে ABVP। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

    তবে পুরো ঘটনাকে ‘কুৎসা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলার জেলা সংযোজক শুভজিৎ মালাকার। তিনি বলেন, ‘ABVP-র বিরুদ্ধে কুৎসা, অপ্রচারের চেষ্টা করছে। এমনটা চলতে থাকলে যোগ্য জবাব দেওয়া হবে।’ শুধু তাই নয়, SFI-এর সদস্যরা বহিরাগতদের নিয়ে এসে কলেজে উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ ABVP-র। ঘটনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেননি কলেজ কর্তৃপক্ষ।

    ১. মালদা কলেজে কী নিয়ে উত্তেজনা ছড়ায়?

    কলেজ গেটের কাছে SFI-এর জেলা সম্পাদক কৌশিক মৈত্রকে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়।

    ২. সংঘর্ষে কারা জড়িয়েছিল?

    SFI ও ABVP-র সদস্যদের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতি হয় বলে অভিযোগ।

    ৩. কৌশিক মৈত্রের কী হয়েছে?

    মারধরে জখম হওয়ার পর তাঁকে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ৪. রাস্তা অবরোধ কেন করা হয়েছিল?

    কৌশিককে মারধরের প্রতিবাদে SFI সমর্থকেরা কলেজ গেট লাগোয়া রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং অবরোধ ওঠে।

    ৫. ABVP কী বলছে?

    ABVP অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনাটিকে ‘কুৎসা ও অপপ্রচার’ বলে দাবি করেছে। পাশাপাশি SFI-এর বিরুদ্ধে বহিরাগতদের এনে কলেজে উত্তেজনা তৈরির চেষ্টার অভিযোগও তুলেছে। কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

  • Link to this news (এই সময়)