• গলসিতে গাছের ডাল কেটে বিক্রি, অভিযুক্ত বিজেপি
    এই সময় | ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • এই সময়, বর্ধমান: স্বনির্ভর গোষ্ঠীর লাগানো গাছের ডাল কাটা নিয়ে উত্তেজনা ছড়াল গলসির গলিগ্রামে। ডাল কেটে বিক্রি হয়েছে, এই অভিযোগ তুলে বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভদেখান স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা।

    রবিবার সন্ধেয় গলিগ্রামের গুসকরা মোড়ে ৫০ জন বিজেপির ৪ নম্বর মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক তাপস কর্মকার, ৪ নম্বর মণ্ডলের শক্তিকেন্দ্র প্রমুখ সঞ্জয় মেটে এবং বিজেপির কিষান মোর্চার ৪ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি ঝুলন দত্তকে ঘিরে ক্ষোভ দেখান। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের দাবি, পাঁচ বছর আগে গলিগ্রাম ক্যানাল পুল থেকে রেলগেট পর্যন্ত সেচ ক্যানালের দু'পাড়ে ১৩টি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর উদ্যোগে হাজার খানেক গাছ লাগানো হয়েছিল। সেখানে লাগানো হয়েছিল শিশু, শিরীষ, সেগুন, মেহগনি ও কদম গাছ। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারাই সেই গাছগুলির পরিচর্যা করে এসেছেন এত দিন পর্যন্ত।

    স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য পিরুবালা বাগদি অভিযোগ করেন, কিছু দিন আগে ওই গাছগুলির বেশ কিছু ডাল কেটে বিক্রি করা হয়েছে। প্রাকৃতিক রং তৈরিতে ব্যবহৃত এই দামী ডাল বিক্রি করে ১০ হাজার টাকা পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তাঁর। সেই টাকা গোষ্ঠীর মহিলাদের না-দিয়ে অন্যত্র দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ।

    পিরুবালা বলেন, 'আগের সরকারের সময়ে ১৩টি স্বনির্ভর গোষ্ঠী ক্যানালের দু'পাশে বাঁধে গাছ লাগিয়েছিল। অথচ আমাদের কিছু না-জানিয়ে ডাল কেন কাটা হলো? ডাল বিক্রির টাকা আমাদের প্রাপ্য অথচ আলোচনা না-করে সেই টাকা অন্যদের দেওয়া হলো। টাকা না-পেলে প্রসাশনের কাছে অভিযোগ জানাব।' আর এক সদস্য জীবন বাগদিও একই কথা জানিয়েছেন।

    তবে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপির ৪ নম্বর মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক তাপস। তিনি দাবি করেন, কিছু ব্যক্তি গাছের ডাল কাটার চেষ্টা করছিলেন। তিনি বাধা দিয়েছিলেন এবং ডাল বিক্রির টাকা উদ্ধার করেন। গ্রামের মনসা মন্দির ও কালীমন্দিরের জন্য সেই টাকা দান করা হয়। বিজেপির কিষান মোর্চার ৪ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি ঝুলন বলেন, 'আমরাই ডাল কাটা আটকেছি।'

  • Link to this news (এই সময়)