সেন্টার অব ‘এক্সিলেন্স’ নাকি ‘এক্সট্রিমিজম’, ঠিক করবে যাদবপুরই, মন্তব্য উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর
বর্তমান | ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সতর্কবাণী শোনালেন রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। সোমবার ডায়মন্ডহারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এবার যাদবপুরই ঠিক করুক, তারা ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ নাকি ‘সেন্টার অব এক্সট্রিমিজম’ হিসাবে সারা দেশে খ্যাত হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কাণ্ড নিয়ে যেভাবে বিতর্কের আগুন ছড়িয়েছে, তাতে সহজে নেভার নয়। তারই মধ্যে এবার উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভবিষ্যত’ কী, তা নির্ধারণের ভার সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের উপর ছাড়লেন। মন্ত্রীর বক্তব্য, কোন পথে চলবে, সেটা যাদবপুরের সংশ্লিষ্ট মানুষজনকেই ঠিক করতে হবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বজায় রাখবে, নাকি দেশে দুর্নামের সঙ্গে উচ্চারিত হবে, সেটা যাদবপুরকেই ঠিক করতে হবে। তবে সব ছাত্র ছাত্রী যে এই গোলমালের সঙ্গে যুক্ত,সেটা মানতে নারাজ মন্ত্রী। জগন্নাথবাবুর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪-১৫ হাজার পড়ুয়ার মধ্যে ‘উপদ্রবী পড়ুয়া’র সংখ্যা এক হাজারের কম। তাই সবার কাছে আবেদন করছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বজায় রাখুন। অন্যদিকে, ডায়মন্ডহারবারের দেড় দশকের সময়কালকে কটাক্ষ করেছেন জগন্নাথবাবু। তাঁর বক্তব্য, এবারের এই সমাবর্তন অন্যরকম। মুক্ত আলো, মুক্তির স্বাদ পেয়ে ছাত্রীরা উপাধি নিতে এসেছেন। বাংলার দূত হিসাবে দেশ বিদেশে রাজ্যের নাম উজ্জ্বল করবেন ছাত্রীরা।
পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত রাজ্যপাল তথা আচার্য আরএন রবি বিগত সরকারের শিক্ষা ব্যবস্থার খামতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নারী ক্ষমতায়ন নিয়ে কী কী উদ্যোগ নিয়েছেন, তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয় বছর বাদে সমাবর্তন হচ্ছে। এটা কাম্য নয়। শুধু এই বিশ্ববিদ্যালয় বলে নয়, রাজ্যের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিগত ছয়-সাত বছরে কোনো সমাবর্তন হয়নি।