• ফরাক্কায় আল-আমীন মিশনের ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু! খুনের অভিযোগ পরিবারের
    প্রতিদিন | ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ফরাক্কার আল-আমীন মিশনের ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু! আবাসিক নাবালিকা ছাত্রীর মৃত্যুতে উত্তেজনা। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, চারতলা ছাদ থেকে পুকুরে পড়ে গিয়ে ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তবে পরিবারের দাবি, দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই। নাক দিয়ে ফেনা জাতীয় কিছু বেরতে দেখেছেন তাঁরা। মৃত্যুর সময় নিয়েও পরিষ্কার ভাবে কিছু বলা হচ্ছে না বলে দাবি পরিবারের। নাবালিকা আত্মঘাতী না কি, পিছনে অন্য কারণ তা নিয়ে ধোঁয়াশা। পরিবার আত্মহত্যার কথা মানতে নারাজ। মেয়ের মৃত্যুতে মিশন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করছে পরিবার। খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন সদস্যরা।

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্রীর নাম হামিদা ইয়াসমিন। বয়স ১৪ বছর। সে তি থানার লক্ষ্মীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হাসানপুর গ্রামের বাসিন্দা। আল-আমীন মিশনের সপ্তম শ্রেণির আবাসিক ছাত্রী ছিল। পরিবার জানিয়েছে, চার দিন আগেই হামিদাকে মিশনে পাঠানো হয়েছিল। পরিবারের দাবি, ৩১ আগস্ট সোমবার সন্ধ্যায় মিশন কর্তৃপক্ষ তাঁদের ফোন করে জানায়, হামিদা অসুস্থ। পরে রাত ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ ফের ফোন করে জানানো হয় তাঁদের মেয়ে মারা গিয়েছে। খবর পাওয়ার পরই ফরক্কায় ছুটে যান পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের অভিযোগ, মিশন কর্তৃপক্ষ মৃত্যুর সময় নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে। কেউ বলছেন ছাত্রী সাড়ে ছ’টায় মারা গিয়েছে, কেউ বলছেন, তাঁকে হাসপাতালে জীবিত অবস্থায় আনা হয়েছিল।

    স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, চার তলার ছাদ থেকে নিচে পুকুরে পড়ে গিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। মৃত ছাত্রীর কাকা মহম্মদ সিরাজ জানান, “আমরা যখন এসে ওর সহপাঠীদের জিজ্ঞাসা করি, তখন তারা বলে হামিদা সেখানে ছিল না। স্কুলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে চার তলা থেকে পড়ে মারা গিয়েছে। কিন্তু হামিদার শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই। মুখ ও হাত ভালো আছে। শুধু নাক দিয়ে ফেনা বের হতে দেখা গিয়েছে।” স্কুল কর্তৃপক্ষের সম্পূর্ণ গাফিলতির অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে তাঁরা। থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্তে নেমেছে ফরাক্কা থানার পুলিশ।
  • Link to this news (প্রতিদিন)