• সাংসদ পদ নিয়ে টানাটানি, স্পিকারের কাছে বাড়তি সময় চাইলেন এনসিপিআই সাংসদরা
    প্রতিদিন | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • কেন তাঁদের সাংসদ পদ বাতিল হবে না? এই প্রশ্নের জবাব দিতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আরও খানিকটা সময় চেয়ে নিলেন তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইতে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদ। সূত্রের খবর, স্পিকারের পাঠানো নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় ছিল এনসিপিআই সাংসদদের কাছে। তাঁরা আরও প্রায় ৩ সপ্তাহ সময় চেয়েছেন স্পিকারের কাছে।

    ছাব্বিশের ভোটে দলের ভরাডুবির পরই সদলবলে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়েছিলেন অধিকাংশ সাংসদ। ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই-তে যোগ দিয়ে তাঁরা এনডিএ সরকারকে সমর্থনের কথা জানান। সেইমতো সংসদে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়দের আসন অদলবদলও হয়। কিন্তু এখনও এনসিপিআই সাংসদ হিসেবে তাঁরা ২০ জন স্বীকৃতি পাননি।

    এই অবস্থায় বাদল অধিবেশন চলাকালীন কালীঘাট তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শীর্ষ আদালতে আবেদন জানিয়েছিলেন, এনসিপিআই-তে যোগদানকারী সদস্যদের সাংসদ পদ খারিজ করে দেওয়া হোক। এনিয়ে তিনি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকেও চিঠি লিখেছিলেন। গত মাসে এই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট সবপক্ষকে নোটিস জারি করে। নোটিস দেওয়া হয় সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ২০ জন দলবদলুকে। এই সাংসদদের নিয়ে সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া কতদূর এগোলো জানতে নোটিস যায় স্পিকারের কাছেও। সেসময় স্পিকার জানান, কালীঘাট তৃণমূলের আবেদনের প্রেক্ষিতে এনসিপিআই সাংসদদের কাছে অবস্থান জানতে নোটিস দিয়েছেন তিনি।

    স্পিকারের দপ্তর থেকে নোটিস পাওয়ার পর থেকেই আইনি আশ্রয় খুঁজছেন এনসিপিআই সাংসদরা। শোনা যাচ্ছে, এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তাঁরা। দেশের শীর্ষ আইনজীবীদের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন। শেষমেশ মঙ্গলবার লোকসভার সচিবালয়ের কাছে চিঠি লিখে ৩ সপ্তাহের সময় চেয়েছেন ওই ২০ জন। লোকসভায় এনসিপিআই দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “লোকসভার সচিবালয়ের কাছে চিঠি লিখে আমরা ২০ জন সাংসদ ৩ সপ্তাহ সময় চেয়েছি।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)