• দিঘার ১২টি হোটেলে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকদের হানা, ধরাল আইনি নোটিস
    এই সময় | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • এই সময়, দিঘা: নিম্নমানের খাবার বিক্রির অভিযোগে দিঘার ১২টি হোটেল-রেস্তোরাঁকে আইনি নোটিস দেওয়া হলো জেলা খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্য জুড়ে খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহ পালিত হচ্ছে। প্রথম দিনেই রাজ্যের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র দিঘায় এবং জগন্নাথ মন্দির সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালালো জেলা প্রশাসন ও জেলা খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর।

    যদিও এই ধরনের অভিযান আগেও একাধিক বার হয়েছে। কিন্তু, তারপরেও পরিস্থিতির যে উন্নতি হয়নি তার হাতেনাতে প্রমাণ পেলেন প্রশাসনের কর্তারা। মঙ্গলবার সৈকত শহরের ২০টি হোটেল- রেস্তোরাঁয় অভিযান হয়। অভিযোগ, দেখা গিয়েছে এই সব হোটেল-রেস্তোরাঁয় যে বিরিয়ানি বিক্রি করা হচ্ছে তা অতি নিম্নমানের। বিরিয়ানিতে ফুড কালারের পরিবর্তে কেমিক্যাল যুক্ত রং ব্যবহার করা হচ্ছে।

    কয়েক দিন আগের রান্না করা মাছ-মাংস পরিবেশন করা হচ্ছে। বাসি খাবার বলে যাতে কেউ বুঝতে না পারেন সে জন্য ফুড সেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে কোনওরকম বিধিনিষেধের তোয়াক্কা না করেই। যা দেখে অবাক হয়ে যান প্রশাসনের আধিকারিকরা। অভিযানে ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার, কাঁথির এসডিও প্রতীক অশোক ধুমাল, বিডিও, ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তর, ব্লক স্বাস্থ্য দপ্তর ও নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য জেলা খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিক ও জেলা পুলিশের কর্তারা।

    নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য জেলা খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিক বিশ্বজিৎ মান্না বলেন, 'দিঘার ২০টি হোটেল-রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে ১৫টি থেকে খাবারের নমুনা সংগ্রহ করে মান যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। ১২টি হোটেলকে আইনি নোটিস ধরানো হয়েছে। আগামী দিনে ফের আভিযান চালানো হবে।'

    এ দিন এগরা শহরেও একাধিক রেস্তোরাঁ, গোডাউন ও বেকারিতে অভিযান চালায় খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। দু'টি রেস্তোরাঁ-সহ চানাচুর কারখানাকে নোটিস ধরানো হয়। বাজেয়াপ্ত করা হয় মেয়াদ উত্তীর্ণ চকলেট, বিস্কুট, চানাচুর-সহ রকমারি খাদ্যসামগ্রী।

  • Link to this news (এই সময়)