এই সময়, আলিপুরদুয়ার: চিকিৎসায় সে ভাবে সাড়া দিচ্ছেন না বিষধর সাপের ছোবলে আক্রান্ত আলিপুরদুয়ারের লোকো পাইলট প্রদীপ ডুং ডুং। বরং সময়ের সঙ্গে আরও গভীর কোমায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ছেন তিনি। তাতেই সঙ্কট আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। ওই লোকো পাইলটের জীবন বাঁচাতে তৈরি হয়েছে মেডিক্যাল বোর্ড।
আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালের আইসিইউতে তাঁর নজরদারি চলছে। রবিবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ ডিউটি শেষে আলিপুরদুয়ার জংশনে রেল আবাসনের ফিরে বাথরুমে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে বিষধর সাপ ছোবল দেয় প্রদীপকে। ওই আবাসন থেকে তাঁকে রেল হাসপাতালে নিয়ে আসার সময়ে অচৈতন্য হয়ে পড়েন তিনি।
রেল আলিপুরদুয়ার ডিভিশনাল হাসপাতালে ভেন্টিলেটর না-থাকায় ওই অবস্থায় তাঁর উপরে 'অ্যান্টিভেনম' প্রয়োগ করার ঝুঁকি নেননি চিকিৎসকরা। তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে। সেখানেই তাঁকে ভেন্টিলেশন সাপোর্ট দিয়ে 'অ্যান্টিভেনম' প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু রেল হাসপাতাল হয়ে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা পর্যন্ত ৪৫ মিনিট সময় পার হয়ে যাওয়ায় লোকো পাইলট আরও গভীর কোমায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন।
আশার কথা শুনিয়েছেন আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালের সুপার পরিতোষ মণ্ডল। তিনি বলেন, '৭২ ঘণ্টা না-গেলে কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে বিষের প্রভাব কেটে গেলে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যখন কাজ শুরু করবে, তখন কোমা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন লোকো পাইলট।'