কিছুদিন আগে ক্যামাক স্ট্রিটে কালীঘাট তৃণমূলের কার্যালয়ের বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। পুলিশকে আক্রমণ, সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল কালীঘাট তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়, রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক-সহ একাধিক তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। তাঁদের বিরুদ্ধে মোট তিনটি এফআইআর হয়েছিল। সেই মামলায় গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত সোমবার তলব করা হয়েছিল ডেরেককে। তবে নোটিস আর তলবের সময়ের ব্যবধান কম থাকার অজুহাতে তিনি তা এড়িয়ে যান। অতিরিক্ত ৭ দিন সময়ও চেয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ তা দেয়নি। সোমবারই ফের নোটিস পাঠিয়ে বুধবার ডেরেককে হাজিরার নির্দেশ দেন।
সেই নির্দেশ অনুযায়ী আজ সকাল ১০ টা বেজে ১ মিনিটে নিজে গাড়ি চালিয়ে শেক্সপিয়র সরণি থানায় পৌঁছন ডেরেক। এদিনই ১২ টায় হাজিরা দেবেন সুমিত রায়। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিষেককে ক্যামাক স্ট্রিরের অশান্তির ফুটেজ দেখানো হয়। তিনি যে উপস্থিত ছিলেন, তা স্পষ্ট হয় ফুটেজে। পুলিশের তরফে জানতে চাওয়া হয়, অফিসটি এখন আর তৃণমূল কংগ্রেসের ভাড়া নেওয়া নয়, তবুও কেন পুলিশ ও পুরকর্মীদের বাধা দেওয়া হল? পুলিশের উপর কেন হামলা চালানো হল, কেনই বা মহিলা পুলিশকর্মীদের উপর হামলা ও ‘শ্লীলতাহানি’ ? অভিষেক ও অন্যদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মীদের হুমকি দেওয়া ও তাঁদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকিরও অভিযোগ উঠেছে। কেন এই হুমকি, তা নিয়েও প্রশ্ন করা হয় বলে খবর।