দুর্যোগের নেপাল থেকে একে একে ফিরছেন ভারতীয়রা। চোখে মুখে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা। অগস্টের শেষ সপ্তাহে বাংলার বহু পর্যটক নেপালে ছিলেন। বিপদের সঙ্গে যুঝে একে একে বাড়ি ফিরছেন তাঁরা। যেমন ফিরেছেন বীরভূমের আমোদপুরের বাসিন্দা টোটন লাহা। বাড়ি ফিরেও ২৬ অগস্টের সেই দুর্যোগ ও পরবর্তী পরিস্থিতির কথা বলতে গিয়ে শিউরে উঠছেন টোটন।
গত ২৬ তারিখ হিমবাহের অংশ ভেঙে নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ হড়পা বান আসে। ভাসিয়ে নিয়ে যায় গ্রামের পর গ্রাম, মাইলের পর মাইল এলাকা। খড়কুটোর মতো ভেসে গিয়েছে মানুষ, পোষ্য। ঘরবাড়ি ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছে, ভেসেছে মাইলের পর মাইল এলাকা।
একটি ট্রাভেল এজেন্সির (news in bengali) সঙ্গে মান সরোবর যাওয়ার কথা ছিল টোটনের। ঘটনার দিন তাঁদের বাস তখন বিদুরে। টোটনের কথায়, ‘হঠাৎ করে একটি নিচু এলাকায় আমাদের গাড়ি দাঁড়িয়ে গেল। প্রথমে বুঝতে পারিনি, পরে চোখের সামনে দেখলাম বহু লোক উপরের দিকে ছুটে আসার চেষ্টা করছেন। গাছের ডালপালা ভেঙে পড়ছে। কিছু বোঝার আগেই দেখি সামনে বিশাল জলরাশি ধেয়ে আসছে। তার সঙ্গে প্রচুর মানুষের আর্তনাদের আওয়াজ কানে আসছে।’
স্থানীয় দোকানদাররা দোকান ছেড়েই পড়ি কী মরি করে ছুট লাগান। টোটনের কথায়, ‘আমাদের বাসে আমাদের আগেই স্থানীয় মানুষজন উঠে পড়েন। তবে বাস চালকের উপস্থিত বুদ্ধিতে গাড়ি ঘুরিয়ে এ যাত্রায় প্রাণে ফিরলাম আমরা।’