• ৪৭০২ কোটির মাস্টারপ্ল্যান! দ্রুত বদলাবে হাওড়ার জল-ছবি, আশ্বাস মন্ত্রী উমেশের
    প্রতিদিন | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • হাওড়ার জমা জলের দুর্ভোগ কমাতে বড় পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের। মাস্টারপ্ল্যান করেছে রাজ্য। আগেই তা মন্ত্রিসভায় পাস হয়েছে। এখন কাজ শুরুর অপেক্ষা। ৪৭০২ কোটি টাকা ব্যয়ে এই কাজ হবে। ৩০ শতাংশ রাজ্য সরকার ও ৭০ শতাংশ এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাঙ্ক বা এডিবি দেবে। পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী উমেশ রাই বলেন, “কেএমডিএ একটা মাস্টারপ্ল্যান করেছে। প্ল্যান হয়েছে ৩০ শতাংশ রাজ্য সরকার ও ৭০ শতাংশ এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাঙ্ক বা এডিবি দেবে। ৪৭০২ কোটি টাকার হাওড়া শহরের নিকাশি সংস্কারের ওই মাস্টারপ্ল্যান ইতিপূর্বেই রাজ্য মন্ত্রিসভায় পাস হয়েছে। জানুয়ারি ২০২৭ থেকে সে কাজ শুরু হবে। পাঁচ বছরের মধ্যে কাজ শেষ হবে। কাজ শেষ হওয়ার পর বর্ষাকালে হাওড়া ও বালিতে জল জমার সমস্যা হবে না।”

    হাওড়ায় টানা বৃষ্টির জেরে মঙ্গলবারে শিবপুর রোড, পঞ্চাননতলা রোডের বিভিন্ন বাই লেনগুলিতে জল জমে যায়। পঞ্চাননতলা রোডের ক্ষীরেরতলা গলি, কদমতলা গলি, পাগলা ফৌজের গলি জলমগ্ন হয়ে পড়ে। মধ্য হাওড়ার মতো ভারী বৃষ্টির জেরে জল জমে দক্ষিণ হাওড়াতেও। দক্ষিণ হাওড়ার চূনাভাটি, থানামাকুয়া, বিবেকানন্দনগরে জল জমে যায়। তবে এই পরিস্থিতি ক্রমেই কাটবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী উমেশ রাই।

    অন্যদিকে, শ্যামপুরের বাসুদেবপুরে হুগলি নদীর বাঁধ রক্ষা করতে জোর কদমে কাজ শুরু করল সেচ দপ্তর। ইতিমধ্যে বাঁশের খাঁচায় মধ্যে ইট ভরে নদীর গর্ভে ফেলা হয়েছে। নেটের বা জালের মধ্যে ইট ভাঙ্গা দিয়েও ফেলে দেওয়া হয়েছে, যার পোশাকি নাম ‘ব্যাট’। এ ছাড়া ক্ষয়ে যাওয়া নদীর বাঁধে যাতে জল পড়ে আরও ক্ষয় না হয় সেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নদীর ভাঙন দেখতে আসেন শ্যামপুরের বিধায়ক হিরন্ময় চট্টোপাধ্যায়। অপরদিকে সন্দেশখালিতে ভারী বৃষ্টি ও পূর্ণিমার ভরা কোটালের জেরে রায়মঙ্গল নদীর বাঁধে প্রায় ১৫০ ফুট অংশে ধস নামে। আতঙ্ক বসিরহাটের সন্দেশখালি ২ ব্লকের মনিপুর পঞ্চায়েতের তালতলা কাছারিপাড়ায়। সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বাঁধ সংস্কারের কাজ শুরু করেন।
  • Link to this news (প্রতিদিন)