পরিদর্শনে গিয়ে আক্রান্ত হন ‘আরশোলা’রা, রাজস্থানের সেই জীর্ণ স্কুল ভেঙে এবার নতুন ভবন!
প্রতিদিন | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিট প্রশ্নফাঁস আন্দোলনে সাফল্যের পর শিক্ষা ক্ষেত্রে কর্মসূচি নেয় ককরোচ জনতা পার্টি। গ্রামীণ সরকারি স্কুলের পরিকাঠামো উন্নয়নের দাবিতে দেশ জুড়ে ‘স্কুল ঠিক করো’ কর্মসূচির অংশ হিসাবে গত মাসে রাজস্থানের একটি স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে হামলার মুখে পড়েন ‘আরশোলা’র সদস্যরা। এবার রাজস্থানের সেই স্কুলের জীর্ণ ভবনটিকে ভেঙে নতুন করে তৈরি করতে উদ্যোগী হল প্রশাসন।
এই ঘটনা জয়পুরের রামপুরা গ্রামের। বুধবার সকাল থেকে সরকারি স্কুলের পুরনো ভবনটিকে ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে, যেটি সিজিপির কর্মসূচির পরেই গোটা ভারতের নজরে এসেছিল। রাজস্থানের বাগরু বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত এই প্রাথমিক স্কুলের ভবনটিকে গত বছরের সেপ্টেম্বরেই বিপজ্জনক বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। বগরুর বিধায়ক কৈলাশ বর্মা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে নতুন স্কুল ভবন তৈরির জন্য প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে স্কুলের ভবনটিকে বিপজ্জনক ঘোষণা করলেও, নতুন ভবন তৈরিতে অর্থ বরাদ্দ হলেও এক বছর ডিঙিয়ে একটি গাছের তলায়, কখনও বা গ্রামবাসীদের অর্থ সাহায্যে তৈরি একটি টিনের ছাউনির নিচে ক্লাস চলছে। এই পরিস্থিতিতেই গত ২১ আগস্ট সিজেপির যুগ্ম আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কার নেতৃত্বে এক প্রতিনিধিদল জয়পুরের রামপুরার ওই স্কুল পরিদর্শনে যায়। গ্রামে গিয়ে হামলার মুখে পড়েন রাঙ্কারা। তাঁদের মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। উভয়পক্ষ এফআইআর দায়ের করে একে অপরের বিরুদ্ধে। শেষ পর্যন্ত ওই অভিযানেই কি প্রশাসনের টনক নড়ল?
বুধবার সকালে জীর্ণ স্কুল ভবন ভাঙার ভিডিও সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন অশুতোষ রাঙ্কা। তিনি লেখেন, “রামপুরার যে স্কুলটি আগে মহিষের গোয়ালে চলত, সেটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। পরিদর্শনের সময় আমাদের উপরে পাথর ছোড়া হয়েছিল। মহিলাদের উপর হামলা করা হয়েছিল। গাড়ির জানালা ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। ছোটদের জন্য একটি ভালো স্কুল তৈরি হলেই আমাদের সব কষ্ট সার্থক হবে।”