• ভাটপাড়া, বারাকপুর, উত্তর দমদম, পানিহাটি জমা জলের সমস্যা মেটাতে ১২৫ কোটি বরাদ্দ
    বর্তমান | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে সম্প্রসারণের সময় ধারে থাকা নয়ানজুলি বুজিয়ে নিকাশিনালা তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু এই মহাসড়ক মাটি থেকে সাড়ে তিন ফুট উঁচু হওয়ায় নর্দমার জল বেরনোর পথ নেই। ফলে একটু বৃষ্টি হলেই কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ধারে থাকা বিভিন্ন গ্রাম-শহর ভেসে যাচ্ছে ওই জলে। সেই জল দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে, ঢুকছে গৃহস্থের ঘরে। সব থেকে সমস্যা বেশি ভাটপাড়া, বারাকপুর সহ কয়েকটি পুর এলাকায়। ইতিমধ্যেই ভাটপাড়া পুরসভা তাদের এলাকা থেকে জল বের করতে ৬৫ কোটি টাকা খরচ করে ছ’টি নিকাশিনালা তৈরি করছে। ওই নর্দমার গভীরতা আড়াই মিটার থেকে তিন মিটার। ওই নর্দমার মাধ্যমে জমা জল পদ্মা খাল, পাখি মারা খাল, সোনাই খালে গিয়ে পড়বে। খালের জল মিশবে বরতির বিলে। গোটা প্রকল্পের কাজ শেষ হতে আরও কয়েক মাস সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে সমস্যা কিছু রয়েছে। মাটির নীচে পরিষেবার যে সমস্ত লাইন গিয়েছে, সেগুলিকে সরাতে হবে। যতদিন না এই কাজ শেষ হচ্ছে, ততদিন ভাটপাড়া পুর এলাকা সহ কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ধারের বাসিন্দারা জল যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন না।

    বারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী জল জমার সমস্যা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের সঙ্গে ইতিমধ্যেই বৈঠক করেছেন। এরপর তড়িঘড়ি কেএমডিএ’র পক্ষ থেকে বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিল থেকে এই কাজের জন্য ১২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। যার মধ্যে ভাটপাড়া পুর এলাকায় ছ’টি নিকাশি নালার জন্য ৬৫ কোটি টাকা, বারাকপুরে দু’টি নালার জন্য ২৫ কোটি টাকা, উত্তর দমদম এবং পানিহাটির জন্য ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সব ক্ষেত্রেই দ্রুততার সঙ্গে কাজ চলছে বলে কেএমডিএ’র নিকাশি বিভাগের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার আহাদ আলি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, জমা জল নিকাশিনালা হয়ে খালে গিয়ে পড়বে। মাটির নীচে পরিষেবার যে সব লাইন গিয়েছে, সেগুলি সরানোই এখন চ্যালেঞ্জ। আশা করা হচ্ছে, কয়েক মাসের মধ্যেই এই কাজ শেষ হয়ে যাবে। আগামী বর্ষায় আর জমা জলের সমস্যা হবে না।-নিজস্ব চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)