• বাঁচলেও একসঙ্গে, মরলেও! পরকীয়ায় পরিবার বাধ সাধতেই এক শাড়িতে গলায় ফাঁস দেওর-বউদির
    প্রতিদিন | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • দেওরের প্রেমে মজেছিলেন বউদি। স্বাভাবিকভাবেই তা জানাজানি হতে বেশি সময় লাগেনি। এরপরই চরমে ওঠে অশান্তি। কিন্তু কোনও পরিস্থিতিতেই একে অপরের হাত ছাড়তে রাজি ছিলেন না প্রেমিক-প্রেমিকা কেউই। যার পরিণতি হল ভয়ংকর। বৃহস্পতিবার সকালে শান্তিপুরের বাবলা গ্রামের আমবাগানে মিলল যুগলের ঝুলন্ত দেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবল শোরগোল এলাকায়। এই জোড়া মৃত্যুর নেপথ্যে শুধুই প্রেম নাকি লুকিয়ে রয়েছে অন্য কোনও রহস্য, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    মৃতদের নাম দীপক সরদার (২০) ও সুমিতা সরদার (১৯)। নদিয়ার (Nadia) শান্তিপুরের বাবলা গ্রামের বাসিন্দা তারা। সুমিতা ছিলেন দীপকের মামাতো দাদার স্ত্রী। দুই পরিবারের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই যাতায়াত লেগেই থাকত। সেই সূত্রেই প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন দীপক ও সুমিতা। বিষয়টা সকলে জেনে যেতেই দুই পরিবারের অশান্তি চরমে ওঠে। কিন্তু কোনও পরিস্থিতিতেই দীপক ও সুমিতা একে অপরকে ছাড়তে চাননি। এরই মাঝে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা নাগাদ স্থানীয় এক ব্যক্তি মাঠের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময় বাড়ির পাশের একটি আমবাগানে তিনি দু’জনকে একসঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তাঁর চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়।

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় শান্তিপুর থানার পুলিশ। তড়িঘড়ি দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, মৃত্যুর আগে দু’জনের মধ্যে কী ঘটেছিল এবং এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে স্থানীয়দের দাবি, প্রেম কোনওদিন স্বীকৃতি পাবে না বুঝেই একসঙ্গে মৃত্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুগল।
  • Link to this news (প্রতিদিন)