দুই মাসের মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণের পরে খুনের ঘটনায় আদালতে চার্জশিট জমা দিল পুলিশ। মোট ৭০২ পাতার চার্জশিট। চার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে BNS-এর ১৩৭(২) ধারা (অপহরণ), ১৪০(৩) ধারা (অবৈধ ভাবে ও গোপনে বন্দি করা ), ৬৫(১) ধারা (নাবালিকা ধর্ষণ), ৭০(২) ধারা (গণধর্ষণ), ১০৩(১) ধারা (হত্যা), ২৩৮ (অপরাধের প্রমাণ নষ্ট করা) ও ৬১ ধারার (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) পাশাপাশি POCSO আইনের ৬ নম্বর ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
বারুইপুরের বিশেষ POCSO আদালতে চার্জশিটটি জমা দেওয়া হয়েছে। নাবালিকার পরিচয় আইন অনুযায়ী গোপন রাখা হয়েছে। POCSO আইন মেনে নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় মোট ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তার মধ্যে প্রভাস মণ্ডল নামে এক অভিযুক্তের ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময়ে পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়।
উল্লেখ্য, গত ৪ জুলাই বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকা নিখোঁজ হয়ে যায় ওই নাবালিকা। ৫ জুলাই বিকেলের দিকে স্থানীয় একটি পুকুর থেকে উদ্ধার হয় তার দেহ। ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছিল। এলাকায় অশান্তি ছড়াতে পুলিশ মোট চার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।
গত ৮ জুলাই ওই এলাকায় রাত ১১টা নাগাদ ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছিল। সেই সময়ে অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল পালানোর চেষ্টা করছিল বলে অভিযোগ। আচমকা পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নিয়ে সে গুলি ছোড়ার চেষ্টা করে। তখনই বাধ্য হয়ে তাকে গুলি করা হয় বলে পুলিশের দাবি। ঘটনাস্থলেই ওই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়।