• নেপাল বিপর্যয়ের ৮ দিন পরেও মেলেনি মুকুলের পুত্রবধূর খোঁজ, পাঠানো হল ডিএনএ নমুনা
    প্রতিদিন | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • আট দিন পেরিয়েও নেপালে নিখোঁজ প্রয়াত নেতা মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়ের সন্ধান মেলেনি। তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করতে এ বার ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নিল পুলিশ। বৃহস্পতিবার সাগর দত্ত হাসপাতালে পরিবারের এক মহিলা সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করে আইএফএসএল-এর সেন্ট্রাল ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে তা নেপালে পাঠিয়ে বিপর্যয়ের পর উদ্ধার হওয়া শনাক্তহীন দেহের সংরক্ষিত নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। নেপালে উদ্ধার হওয়া শনাক্তহীন দেহগুলির গণসৎকারের আগে ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে নিখোঁজদের পরিচয় নিশ্চিত করতে সেই নমুনার সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ মিলিয়ে দেখা হতে পারে।

    বুধবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ শুভ্রাংশু ফেসবুক পোস্ট করেন। তাতে লেখা রয়েছে, শুভম গেস্ট হাউসে উঠেছিলেন শর্মিষ্ঠা। তাঁকে শেষবার গিরং পোর্টে দেখা গিয়েছিল। কেউ খোঁজ জানলে পোস্টারে ৯০৫১৩৭৭০৬৮ নম্বরে যোগাযোগ করতেও বলা হয়েছে। জানা গিয়েছে, গত ২১ আগস্ট ‘চলো যাই’ নামে একটি পর্যটন সংস্থা ৩২ জনকে নিয়ে নেপালের উদ্দেশে রওনা দেয়। তাঁরা সকলেই মানস সরোবর যাচ্ছিলেন। শুভ্রাংশু ঘরনি শর্মিষ্ঠাও ছিলেন। গত ২৬ আগস্ট বিপর্যয়ের (Nepal Flash Flood) পর থেকে শর্মিষ্ঠা নিখোঁজ হয়ে যান। ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে স্ত্রী নিখোঁজের বিষয় নিয়ে কথাও হয়েছে মুকুলপুত্র শুভ্রাংশুর। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি। তাই সময় যত গড়াচ্ছে, ততই উদ্বেগ বাড়ছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

    এদিকে, ওই পর্যটন সংস্থার প্রজেক্ট হেডের দাবি, গত ১ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ ৪ পর্যটকের পরিবারের লোকজন নেপালে গিয়েছিলেন। নেপাল প্রশাসনের সঙ্গে কথাও বলেছেন তাঁরা। ডিএনএ নমুনাও দিয়েছেন। শুভ্রাংশু রায়কেও নাকি যাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। তবে সন্তানদের দেখভালের কথা মাথায় রেখে যেতে পারেননি মুকুলপুত্র। জানা গিয়েছে, নেপাল প্রশাসন বেওয়ারিশ দেহের চাপ সামলাতে গণ সৎকারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে তার আগে প্রতিটি দেহের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে রাখা হবে। যাতে ভবিষ্যতে পরিবারের লোকজন যোগাযোগ করলে খোঁজ পেতে পারেন।
  • Link to this news (প্রতিদিন)