আর রাম বলা যাবে না ওল্ড মঙ্ককে! হাই কোর্টকে জানাল FSSAI
প্রতিদিন | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জনপ্রিয় রামের ব্র্যান্ডের উপর ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার কোপ! কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, ওল্ড মঙ্ককে রাম হিসেবে বাজারে বিক্রি করা যাবে না। এদিন বম্বে হাই কোর্টে এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।
এদিন সংস্থার তরফে যে কাউন্সেলর উপস্থিত ছিলেন আদালতে, তিনি দাবি করেন, আপত্তিটা কেবল পণ্যটির লেবেলিং নিয়েই নয়। বরং এর উপাদান বা গঠনশৈলীর দিকটিও মাথায় রাখা হয়েছে। কিন্তু আপত্তিটা ঠিক কোথায়? বলা হচ্ছে, কৃত্রিম ফ্লেভার মিশিয়ে রামের স্বাদ-গন্ধ তৈরি করা হয়। ব্যবহার করা হয় ন্যাচালার স্পিরিট। আসলে এই ধরনের পানীয়র যে নিজস্ব স্বাদ-গন্ধ তা তৈরির নিজস্ব পদ্ধতি রয়েছে। কিন্তু তা না করে নিউট্রাল স্পিরিট মিশিয়ে নকল স্বাদ ও গন্ধ তৈরি করা হচ্ছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, রাম হিসেবে বিক্রি করা যাবে না ওল্ড মঙ্ককে। বরং লেবেলে উল্লেখ করতে হবে পণ্যটি ‘রাম ফ্লেভাবের স্পিরিট’। এদিকে ওল্ড মঙ্কের প্রস্তুতকারী সংস্থা ‘মোহন মিকিন’ ইতিমধ্যেই আদালতের কাছে সংশোধিত লেবেল জমা দিয়েছে। যেপ্রসঙ্গে এফএসএসআই জানিয়েছে, তারা ওই লেবেল খতিয়ে দেখবে। তারপরই সিদ্ধান্ত নেবে এটাকে মান্যতা দেওয়া যাবে কিনা।
বলে রাখা ভালো, কেবল ওল্ড মঙ্কই নয়, আরও অন্য ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রেও একই অভিযোগ উঠেছে। অর্থাৎ কৃত্রিম ফ্লেভার মিশিয়ে হুইস্কি-রামের স্বাদ ও গন্ধ তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি জানানো হয়েছে, ‘ওল্ড মঙ্ক XXX রাম’-এর একটি ভ্যারিয়্যান্টের গায়ে লেখা ‘৭ বছরের পুরনো ব্লেন্ডেড’ দাবিটিও বিভ্রান্তিকর। নিয়ন্ত্রক সংস্থার মতে, এই পণ্যটির প্রধান উপাদান ছিল নিউট্রাল বা অপরিপক্ব স্পিরিট। এবং সেই মিশ্রণটিতে পরিপক্ব রামের পরিমাণ ছিল ৫ শতাংশেরও কম। নিয়ম অনুযায়ী, মিশ্রণে ব্যবহৃত স্পিরিটগুলোর মধ্যে যেটি সবচেয়ে কম বয়সিটির উপরে ভিত্তি করেই বয়সের উল্লেখ বা ‘এজ স্টেটমেন্ট’ করতে হয়।