বর্ণপরিচয়ের স্রষ্টা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য। বারুইপুর মহকুমা শাসকের দপ্তর এবং পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বিদ্যাসাগর শিশু উদ্যানে ছিল ওই মূর্তি। অভিযোগ, বিদ্যাসাগরের মূর্তি বেদি থেকে তুলে পাশের ঝোপে ফেলে দেওয়া হয়েছে। শনিবার, শিক্ষক দিবসের দিনে এমন ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।
সূত্রের খবর, ২০২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বিদ্যাসাগরের ওই মূর্তির বসানো হয়েছিল ওই পার্কে। মূর্তি উন্মোচন করেছিলেন তৎকালীন কাউন্সিলার মুজাফ্ফর আহমদ। কিন্তু সেই পার্কেই আজ বেহাল দশা বিদ্যাসাগরের মূর্তির।
স্থানীয়দের দাবি, উদ্যানের সামনের রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন বহু মানুষ যাতায়াত করেন। তা সত্ত্বেও বিষয়টি কেন কারও নজরে এলো না, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনায় কার্যত উদাসীন বারুইপুর পুরসভা কর্তৃপক্ষ। ঘটনার যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। পাশাপাশি অবিলম্বে মূর্তিটি সসম্মানে নির্দিষ্ট জায়গায় বসানোর দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা।
শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারের পথিকৃৎ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তির সঙ্গে এমন আচরণ মেনে নিতে পারছেন না এলাকাবাসী। ঘটনার নেপথ্যে কারা যুক্ত রয়েছে, তা খুঁজে বের করতে পুলিশ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে। এলাকার বাসিন্দা সুশান্ত দত্ত বলেন, ‘বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এ ভাবে শিক্ষার অপব্যবহার করা হচ্ছে। ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’
১. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি নিয়ে কী অভিযোগ উঠেছে?
উত্তর: অভিযোগ, বারুইপুরের বিদ্যাসাগর শিশু উদ্যানের বেদি থেকে বিদ্যাসাগরের মূর্তিটি তুলে পাশের ঝোপে ফেলে দেওয়া হয়েছে এবং মূর্তিটি ভাঙা হয়েছে।
২. কোথায় বিদ্যাসাগরের মূর্তিটি ছিল?
উত্তর: বারুইপুর পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বিদ্যাসাগর শিশু উদ্যানে মূর্তিটি ছিল।
৩. কবে মূর্তিটি উদ্যানে বসানো হয়েছিল?
উত্তর: ২০২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর মূর্তিটি উদ্যানে বসানো হয়েছিল।
৪. মূর্তিটির উন্মোচন কে করেছিলেন?
উত্তর: তৎকালীন কাউন্সিলার মুজাফ্ফর আহমদ মূর্তিটির উন্মোচন করেছিলেন।