সাতসকালে এক মহিলার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য। শনিবার অন্ডালের বিশ্বেশ্বরী ময়রা ডিপো এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। মৃতের নাম তারাদেবী ভুঁইয়া (৪০)। এ দিন বাড়ির সামনে তারার দেহ পড়ে থাকতে প্রথমে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁর দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। তবে ঠিক কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে খবর, তারার সঙ্গে তাঁর স্বামী তপন ডোমের প্রায়ই ঝগড়া-অশান্তি হতো। এ দিনের ঘটনার পরে থেকে কোনও খোঁজ মিলছে না তপনের। স্থানীয়দের অনুমান, পারিবারিক বিবাদের জেরেই স্ত্রীকে খুন করে চম্পট দিয়েছেন তপন। আরও জানা গিয়েছে, তারা তপনের দ্বিতীয় স্ত্রী। এর আগেও তপন একটি বিয়ে করেছিলেন।
এ দিন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় অন্ডাল ও পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, কোনও ভারী বস্তু দিয়ে মহিলার মাথায় আঘাত করা হয়েছিল। সেই কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে পুরো বিষয়টি। ইতিমধ্যেই দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে এসে নমুনা সংগ্রহ করেছেন।
অন্ডাল ও পান্ডবেশ্বর এলাকার এসিপি দীপকুমার দাস বলেন, ‘ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।’ একই সঙ্গে মৃত মহিলার স্বামীর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
১. প্রশ্ন: কোথায় মহিলার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে?
উত্তর: অন্ডালের বিশ্বেশ্বরী ময়রা ডিপো এলাকায় বাড়ির সামনে থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়েছে।
২. প্রশ্ন: মৃত মহিলার নাম কী?
উত্তর: মৃতার নাম তারাদেবী ভুঁইয়া। তাঁর বয়স ৪০ বছর।
৩. প্রশ্ন: কী ভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান?
উত্তর: পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, কোনও ভারী বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত করার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
৪. প্রশ্ন: ঘটনার পর কার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না?
উত্তর: মৃতার স্বামী তপন ডোমের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁর সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।