দীর্ঘদিন ধরে বেহাল হয়ে পড়ে রয়েছে গ্রামের রাস্তা। বর্ষা আসতেই প্রায় হাঁটু সমান জলে ডুবে যায় পুরো রাস্তা। প্রশাসনের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। সেই কারণে এ বার অভিনব প্রতিবাদের পথ বেছে নিলেন বাঁকুড়ার হরিশ্চন্দ্রপুরের সুলতাননগর পঞ্চায়েতের ডারল গ্রামের বাসিন্দারা। শনিবার তাঁরা রাস্তার জমা জলে জাল ফেলে মাছ ধরার পাশাপাশি ধানের চারা পুঁতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘ তিন বছর ধরে এই রাস্তার বেহাল দশা। এমনকী, রাস্তার পাশে কোনও নিকাশি নালা নেই। তাই সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় জল জমে কার্যত ডোবায় পরিণত হয়। এ ছাড়াও, দীর্ঘদিন জল জমে থাকার কারণে মশা ও মাছির উপদ্রব দিন দিন বাড়ছে। নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত জল স্থানীয়দের বাড়ির ভিতরেও ঢুকে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ।
এই বেহাল রাস্তা দিয়েই স্কুল ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে যেতে হয়। প্রতিদিন জল-কাদা পেরিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পড়ুয়াদের। সব থেকে বেশি সমস্যায় পড়ছেন রোগী ও প্রসূতিরা। খারাপ রাস্তার কারণে গ্রামের ভিতরে ঢুকতে পারছে না অ্যাম্বুল্যান্সও। এমনকী, মোটরবাইক ও টোটো দুর্ঘটনা এখন প্রায় নিত্যদিন ঘটনা হয়ে গিয়েছে ওই এলাকায়।
গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, সমস্যার সমাধানে তাঁরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পঞ্চায়েত ও ব্লক প্রশাসনকে বহুবার জানানো হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে শুধু প্রতিশ্রুতিই মিলেছে, কোনও কাজ হয়নি। অবিলম্বে রাস্তা সংস্কার এবং নিকাশি নালা তৈরির দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা।
১. কোথায় বেহাল রাস্তা নিয়ে প্রতিবাদ হয়েছে?
উত্তর: বাঁকুড়ার হরিশ্চন্দ্রপুরের সুলতাননগর পঞ্চায়েতের ডারল গ্রামে।
২. গ্রামবাসীরা কী ভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছেন?
উত্তর: রাস্তার জমা জলে জাল ফেলে মাছ ধরার পাশাপাশি ধানের চারা পুঁতে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন তাঁরা।
৩. কতদিন ধরে রাস্তার এই অবস্থা?
উত্তর: গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রায় তিন বছর ধরে রাস্তার বেহাল দশা।
৪. বর্ষায় রাস্তার পরিস্থিতি কেমন হয়?
উত্তর: বর্ষায় রাস্তা প্রায় হাঁটু সমান জলে ডুবে যায়।
৫. কেন রাস্তায় জল জমে থাকে?
উত্তর: রাস্তার পাশে কোনও নিকাশি নালা না থাকায় বৃষ্টির জল বেরোতে পারে না বলে অভিযোগ।