বাইরে থেকে লোক এসে অস্থায়ী পুরকর্মীদের মারধর করেছে অভিযোগ। পুলিশে FIR না হলে কাজ করবেন না বলে হুঁশিয়ারি অশোকনগর কল্যাণগড় পুরসভার স্থায়ী-অস্থায়ী কর্মীদের। শনিবার তাঁরা পেন ডাউনের ডাক দেন। তাঁদের দাবি, এর আগেও এ রকম ঘটনা ঘটেছে। নিরাপত্তা ও বিচারের দাবিতে পুরসভার এগজ়িকিউটিভ অফিসার (যিনি এখন পুরপ্রশাসক) অরুণকুমার বিশ্বাসের ঘরের সামনে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। এ দিকে কর্মী-বিক্ষোভের জেরে এ দিন পুরসভার সমস্ত কাজ বন্ধ ছিল। এ নিয়ে প্রশাসনের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।
বিক্ষুব্ধদের দাবি, এগজ়িকিউটিভ অফিসারের (news in bengali) নির্দেশেই ডেটা এন্ট্রি অপারেটররা দিনরাত এক করে কাজ করেন। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কাজের ডেটা এন্ট্রি চলছে। শুক্রবার রাতে অস্থায়ী ডেটা এন্ট্রি অপারেটররা কাজ করছিলেন। পুরকর্মী মৃদুল দাস-সহ বিক্ষুব্ধ পুরকর্মীদের দাবি, বাইরে থেকে লোক ঢুকে ডেটা এন্ট্রি অপারেটরদের উপরে হামলা চালায়। এরা কারা, তা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ বের করুক। দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। FIR করতে হবে। যদিও এ নিয়ে অশোকনগর কল্যাণগড় পুরসভার এগজ়িকিউটিভ অফিসার কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
তবে স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে অশোকনগর কল্যাণগড় পুরসভায় আলো জ্বলছে দেখে, কয়েকজন এসে চড়াও হন। তাঁরা অভিযোগ তোলেন, রাতের অন্ধকারে নথি সরানো হচ্ছে পুরসভা থেকে। এই নিয়ে পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। নথি সরানো হচ্ছে এই অভিযোগে মারধর করা হয় ডেটা এন্ট্রি অপারেটরদের বলেও অভিযোগ। ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন। অবশেষে পরিস্থিতি সামাল দিতে অশোকনগর থানার পুলিশ সেখানে পৌঁছয়। জনা সাতেক ডেটা এন্ট্রি কর্মীকে উদ্ধার করে অশোকনগর থানায় নিয়ে যায়।
কর্মীদের অভিযোগ, পুরপ্রশাসকের নির্দেশেই কাজ চলছিল। তার পরেও মার খেতে হয়েছে কর্মীদের। এর আগেও এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি বিক্ষুব্ধদের। এক কর্মী কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ছুটির দিনে কাজ করতে এসেছিলেন। তাঁর পরেও তাঁকে মার খেতে হয়েছিল। সে সময়ে এ নিয়ে স্থায়ী-অস্থায়ী কর্মীরা একত্রিত হয়ে সরব হওয়ায় একটি মিটিংও ডাকা হয়। বলা হয়েছিল FIR করা হবে, ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা হয়নি। বিক্ষুব্ধরা বলেন, এগজ়িকিউটিভ অফিসারকে বলেছি, ‘এ বার ব্যবস্থা না নিলে কোনও কর্মী কাজ করবেন না। পেন ডাউন থাকবে।’
তবে স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে অশোকনগর কল্যাণগড় পুরসভায় আলো জ্বলছে দেখে, কয়েকজন এসে চড়াও হন। তাঁরা অভিযোগ তোলেন, রাতের অন্ধকারে নথি সরানো হচ্ছে পুরসভা থেকে। এই নিয়ে পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। নথি সরানো হচ্ছে এই অভিযোগে মারধর করা হয় ডেটা এন্ট্রি অপারেটরদের বলেও অভিযোগ। ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন। অবশেষে পরিস্থিতি সামাল দিতে অশোকনগর থানার পুলিশ সেখানে পৌঁছয়। জনা সাতেক ডেটা এন্ট্রি কর্মীকে উদ্ধার করে অশোকনগর থানায় নিয়ে যায়।
কর্মীদের অভিযোগ, পুরপ্রশাসকের নির্দেশেই কাজ চলছিল। তার পরেও মার খেতে হয়েছে কর্মীদের। এর আগেও এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি বিক্ষুব্ধদের। এক কর্মী কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ছুটির দিনে কাজ করতে এসেছিলেন। তাঁর পরেও তাঁকে মার খেতে হয়েছিল। সে সময়ে এ নিয়ে স্থায়ী-অস্থায়ী কর্মীরা একত্রিত হয়ে সরব হওয়ায় একটি মিটিংও ডাকা হয়। বলা হয়েছিল FIR করা হবে, ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা হয়নি। বিক্ষুব্ধরা বলেন, এগজ়িকিউটিভ অফিসারকে বলেছি, ‘এ বার ব্যবস্থা না নিলে কোনও কর্মী কাজ করবেন না। পেন ডাউন থাকবে।’