মহার্ঘ মুরগির খাবার! ডিম-মাংসের দামে আঁচ, হাত পুড়ছে মধ্যবিত্তের
প্রতিদিন | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গম, ভুট্টার দাম চড়চড়িয়ে বাড়ছে। এগুলিই মূলত মুরগির খাবার। তার জেরেই অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে মুরগির ডিমের দাম। এখন সাত থেকে সাড়ে সাত টাকা দাম একেকটি ডিমের। কিন্তু কিছুদিন আগেও আট থেকে সাড়ে আট টাকা খরচ হতো একটি ডিম কিনতে। আর হাঁসের ডিমের চাহিদার তুলনায় জোগান এতটাই কম যে তা বিকোচ্ছে প্রতি পিস ১৩ থেকে ১৪ টাকায়। কোথাও ১৫ টাকাও নেওয়া হচ্ছে।
পুজোর মরশুম এবং শীতের আগে চাহিদা বাড়ায় হাঁস ও মুরগি, দু’রকম ডিমের দামই আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা রয়েছে। সম্প্রতি মুরগি মাংসের দামও হঠাৎ করে বেশ খানিকটা বেড়েছে। শনিবারও চিকেনের দাম প্রতি কেজি ২১০ টাকা ছিল। আপাতত কমবেশি এই দামেই তা থিতু হয়েছে। যা কিনতে মধ্যবিত্তের পকেটে বেশ চাপ পড়ছে। ন্যাশনাল এগ কো-অর্ডিনেশন কমিটির তথ্য বলছে, সর্বোচ্চ পাইকারি দাম প্রতিটি ৬ টাকা ১০ পয়সা পর্যন্ত পৌঁছেছিল। অথচ খুচরো কিনতে হচ্ছে তার চেয়ে কম করে দেড় টাকা বেশি দাম দিয়ে। অথচ রাজ্যে ডিমের উৎপাদন বেড়েছে। আবার গত এক বছরে ডিমের দাম প্রায় ৩৫-৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
পোলট্রি ফেডারেশনের এক কর্তার বক্তব্য, মুরগির খাবারের দাম যথেষ্ট বেড়েছে। দাম বেড়েছে তাদের ওষুধেরও। তারই প্রভাব পড়ছে ডিম ও মাংসের দামে। ‘কম্পাউন্ড লাইভস্টক ফিড ম্যানুফাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর কর্তা সুমিত সুরেকা বলেন, ‘‘মুরগির খাবার তৈরির উপাদানের অর্ধেকই হল ভুট্টা। বাকি প্রধান উপাদানগুলির মধ্যে রয়েছে সয়াবিন। ফলে এই দুই উপাদানের দাম সরাসরি ডিম এবং মুরগির খাবারের খরচের উপর প্রভাব ফেলছে। তাই দাম বাড়ছে। তবে এর সঙ্গে যোগ করতে হবে চাহিদার দিকটিও। যা বিপুল বেড়েছে।”