পার্কিংকে কেন্দ্র করে ভরদুপুরে ধুন্ধুমার কাণ্ড মন্দারমণিতে। পর্যটকদের লাঠি দিয়ে বেদম মারধরের অভিযোগ এক হোটেলের নিরাপত্তারক্ষী ও ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল সেই হামলার ছবি। ঘটনার জল গড়িয়েছে থানা পর্যন্ত। সূত্রের খবর আটক করা হয়েছে হোটেলের ম্যানেজারকে। যদিও পালটা দাবি, পর্যটকরাই প্রথমে আক্রমণ করে নিরাপত্তারক্ষীকে।
বিষয়টা ঠিক কী? সপ্তাহান্তে বহু পর্যটকই ছুটে যান দিঘা-মন্দারমণিতে। সেরকমই এক পরিবার শনিবার পৌঁছয় মন্দারমণিতে। পর্যটকদের দাবি, একটি হোটেলের বাইরে গাড়ি রেখে র দেখতে গিয়েছিলেন তাঁরা। পছন্দ না হওয়ায় বেরিয়ে পাশের হোটেলে যান। ফিরে এসে দেখেন তাদের গাড়ির চালকের সঙ্গে অভব্য আচরণ করছেন হোটেলের নিরাপত্তারক্ষী। তাঁদের গাড়ি ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগ। এরপরই পরিস্থিতি চরমে ওঠে। হোটেল থেকে লাঠি নিয়ে এসে পর্যটকদের উপর চড়াও হন নিরাপত্তরক্ষী-ম্যানেজার। বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁদের। বৃদ্ধ থেকে মহিলা, রেহাই পাননি কেউই। ভিডিওতে দেখা যায়, মারধরের জেরে নিচে লুটিয়ে পড়েন এক বৃদ্ধ ও এক মহিলা।
বেশ কিছুক্ষণ পর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। আটক করা হয় ম্যানেজারকে। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই বেশ কিছু প্রশ্ন উঠছে। পর্যটকদের দাবি অনুযায়ী, তাঁদের গাড়ি রাস্তার উপর রাখা ছিল। তাহলে সেক্ষেত্রে কীভাবে প্রতিবাদ করতে পারে হোটেলের নিরাপত্তারক্ষী? আপত্তি জানালেও মারধরের মতো পদক্ষেপ কীভাবে? যদিও হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশানের সভাপতি অশোক আদকের কথায়, “ভিডিও দেখিনি। তবে ঘটনাটি নিন্দনীয়। আমি থানায় গিয়েছিলাম। ম্যানেজার আগে আমাকে জানায়নি কেন এটাই আমার প্রশ্ন। তবে আমি যা শুনেছি তাতে হোটেলরক্ষী গাড়িটা সাইড করতে বললে তা না করে পর্যটকরাই প্রথমে নিরাপত্তারক্ষীকে আক্রমণ করে।” যদিও তার কোনও ফুটেজ এখনও মেলেনি। তবে মন্দারমণির বুকে পর্যটকদের সঙ্গে এই ঘটনায় আতঙ্কে পর্যটকরা।