জলপাইগুড়ির ঐতিহ্যবাহী বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়ি। শনিবার সেখানে মহা ধুমধাম করে উদযাপিত হলো নন্দ উৎসব। দীর্ঘদিনের রীতি মেনে এ দিন স্থানীয় কিশোরদের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী কাদো খেলায় মেতে উঠলেন রাজপরিবারের সদস্যরা। সঙ্গে ঢাক ও কাঁসর বাজিয়ে শুরু হয় রাজবাড়ির দুর্গোৎসবের কাঠামো পুজো। এর মাধ্যমেই বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়ির চলতি বছরের শারদোৎসবের সূচনা হলো।
প্রচলিত লোককথা অনুযায়ী, জন্মাষ্টমীর পরের দিন শিশু শ্রীকৃষ্ণ প্রথম কাদামাটি মেখে খেলায় মেতেছিলেন। সেই পৌরাণিক কাহিনি মেনেই বহু বছর ধরে বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়িতে এই কাদা খেলার চল রয়েছে। এই খেলায় ব্যবহৃত মাটি দিয়েই মৃৎশিল্পীরা রাজপরিবারের দুর্গা প্রতিমা তৈরি করেন। রাজপরিবারে এই প্রথা বংশপরম্পরায় ধারাবাহিক ভাবে চলে আসছে।
বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়ির দুর্গাপুজো চলতি বছর ৫১৭ বছরে পড়বে। রাজপরিবারের বর্তমান সদস্য প্রণত কুমার বসু এই উৎসবের আয়োজন করেন। তিনি বলেন, শুক্রবার রাতে জন্মাষ্টমীর পুজো হয়েছে। শনিবার সকালে কাঠামো পুজো হয়।
অন্যদিকে, রাজবাড়ির পুরোহিত শিবু ঘোষাল বলেন, ‘এই পুজো অত্যন্ত প্রাচীন। কালিকাপুরাণ মতে অনুষ্ঠিত হয়। নন্দ উৎসবের পর থেকেই প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছেন মৃৎশিল্পীরা।’
১. প্রশ্ন: কোথায় নন্দ উৎসব পালিত হয়েছে?
উত্তর: জলপাইগুড়ির ঐতিহ্যবাহী বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়িতে নন্দ উৎসব পালিত হয়েছে।
২. প্রশ্ন: নন্দ উৎসবে কী বিশেষ রীতি পালন করা হয়?
উত্তর: রাজপরিবারের সদস্যরা স্থানীয় কিশোরদের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী কাদা খেলায় অংশ নেন।
৩. প্রশ্ন: কাদা খেলার পর কী অনুষ্ঠান হয়?
উত্তর: ঢাক ও কাঁসর বাজিয়ে রাজবাড়ির দুর্গোৎসবের কাঠামো পুজো শুরু হয়।
৪. প্রশ্ন: কাদা খেলার সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের কী সম্পর্ক রয়েছে?
উত্তর: প্রচলিত লোককথা অনুযায়ী, জন্মাষ্টমীর পরের দিন শিশু শ্রীকৃষ্ণ কাদামাটি মেখে খেলায় মেতেছিলেন। সেই কাহিনি অনুসরণ করেই এই প্রথা চলে আসছে।