লাগাতার বৃষ্টিতে জলমগ্ন রাজ্যের একাধিক এলাকা। এবার নিজে নৌকা চালিয়ে বন্যা দুর্গতদের সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী দিবাকর ঘরামী। খতিয়ে দেখলেন ফসলের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ।
একদিকে ভারী বৃষ্টি, অন্যদিকে DVC-র ছাড়া জলে প্লাবিত হয়েছে কয়েকশো বিঘা সবজি জমি ও বেশ কয়েকটি পরিবার। এই পরিস্থিতিতে নিজে নৌকা চালিয়ে গিয়ে বাঁকুড়ার সোনামুখীর উত্তর নিত্যানন্দপুর সংসদে জলবন্দি ২টি পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী দিবাকর ঘরামী। পরিবার ২টিকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গেও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
এলাকার সাধারণ মানুষ এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দাবি, বিগত দিনে কোনও মন্ত্রী বা জনপ্রতিনিধি এভাবে তাদের পাশে দাঁড়াননি। এই তৎপরতার জন্য মন্ত্রীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তাঁরা।
মন্ত্রী দিবাকরের সঙ্গে মাটির যোগ বরাবরই। আগে কৃষিকাজই ছিল পেশা। এখনও মাঠে গিয়ে চাষাবাদ করেন। দামোদরের ধারে বাড়ি হওয়ার জন্য ফি বছর বন্যার সঙ্গেও তিনি পরিচিত। নিজের বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন গ্রামে বন্যার জল ঢুকতেই শুক্রবার সকালে ডিঙি নৌকা নিয়ে পরিদর্শনে বেরিয়ে পড়েছিলেন মন্ত্রী। সোনামুখী ব্লকের উত্তর নিত্যানন্দপুর এলাকায় বৃহস্পতিবার থেকেই হু-হু করে দামোদরের জল ঢুকছে। কয়েকশো একর কৃষিজমি প্লাবিত। বৃহস্পতিবার রাতেই বাঁকুড়ার জেলাশাসক অনীশ দাশগুপ্তকে সঙ্গে নিয়ে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন দিবাকর। শুক্রবার সকালে আবার নৌকা নিয়ে ঘুরেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
বাঁকুড়ার জেলাশাসককে সঙ্গে নিয়ে নৌকায় মেজিয়া ব্লকের জলবন্দি চরে গিয়ে দুর্গতদের হাতে ত্রাণ তুলে দিলেন শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউরি।