ঝাড়খণ্ডে শোকের ছায়া। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে জীবনাবসান হলো রাজ্যের উচ্চশিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা ও যুব বিষয়ক মন্ত্রী সুদিব্য কুমার সোনুর। বয়স হয়েছিল ৫৪ বছর। শনিবার গভীর রাতে গিরিডির একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তথা ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার (JMM) এই বিধায়কের।
জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে গিরিডির নিজের বাড়িতে ঘুমোচ্ছিলেন সুদিব্য। সেই সময়ে আচমকাই তিনি অসুস্থ বোধ করেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য রওনা দেন। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছনোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে সূত্রের খবর। পরে চিকিৎসকেরা জানান, হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
সুদিব্য কুমার সোনু গিরিডি সদর বিধানসভা কেন্দ্রের JMM বিধায়ক ছিলেন। ২০১৯ সালে প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হন তিনি। ২০২৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও গিরিডি কেন্দ্র থেকে জয়ী হন। এর পরে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের মন্ত্রিসভায় জায়গা পান সুদিব্য।
মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ একাধিক দপ্তরের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। উচ্চ ও কারিগরি শিক্ষা এবং যুব বিষয়ক দপ্তরের পাশাপাশি নগরোন্নয়ন ও পর্যটন-সহ একাধিক ক্ষেত্রের দায়িত্বও সামলাচ্ছিলেন। রাজ্যের রাজনীতিতে JMM-এর গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবেও পরিচিত ছিলেন সুদিব্য।
মাত্র ৫৪ বছর বয়সে তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে ঝাড়খণ্ডের রাজনৈতিক মহলে। বিশেষ করে কোনও দীর্ঘ অসুস্থতার খবর ছাড়াই আচমকা হৃদ্রোগে তাঁর অকাল প্রয়াণে শোকস্তব্ধ পরিবার, সহকর্মী এবং অনুগামীরা।
সুদিব্য কুমার সোনুর প্রয়াণে ঝাড়খণ্ডের মন্ত্রিসভা এবং JMM-এও অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হলো বলে মনে করছেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বড় অংশই কেটেছে গিরিডিকে কেন্দ্র করে। ২০১৯ ও ২০২৪—দুই বিধানসভা নির্বাচনেই ওই কেন্দ্র থেকে জয় তাঁর জনপ্রিয়তা ও জনভিত্তির প্রমাণ।
প্রশ্ন ১: সুদিব্য কুমার সোনু কে ছিলেন?
উত্তর: সুদিব্য কুমার সোনু ছিলেন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (JMM)-এর বিধায়ক এবং মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের মন্ত্রিসভার সদস্য।
প্রশ্ন ২: সুদিব্য কুমার সোনুর বয়স কত হয়েছিল?
উত্তর: মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৪ বছর।
প্রশ্ন ৩: কীভাবে মৃত্যু হয়েছে সুদিব্য কুমার সোনুর?
উত্তর: আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়। চিকিৎসকেরা হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানান।
প্রশ্ন ৪: কোথায় মৃত্যু হয়েছে সুদিব্য কুমার সোনুর?
উত্তর: শনিবার গভীর রাতে গিরিডির একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
প্রশ্ন ৫: কোন কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন সুদিব্য কুমার সোনু?
উত্তর: তিনি গিরিডি সদর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন।
প্রশ্ন ৬: কবে প্রথম বিধায়ক নির্বাচিত হন সুদিব্য কুমার সোনু?
উত্তর: ২০১৯ সালের বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হন তিনি।
প্রশ্ন ৭: ২০২৪ সালের নির্বাচনে কি জয়ী হয়েছিলেন সুদিব্য কুমার সোনু?
উত্তর: হ্যাঁ। ২০২৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও গিরিডি সদর কেন্দ্র থেকে জয়ী হন তিনি।
প্রশ্ন ৮: হেমন্ত সোরেনের মন্ত্রিসভায় কোন দপ্তরের দায়িত্বে ছিলেন তিনি?
উত্তর: উচ্চশিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা ও যুব বিষয়ক দপ্তরের পাশাপাশি নগরোন্নয়ন ও পর্যটন-সহ একাধিক দপ্তরের দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন।
প্রশ্ন ৯: সুদিব্য কুমার সোনুর মৃত্যুতে কেন শোকের আবহ তৈরি হয়েছে?
উত্তর: মাত্র ৫৪ বছর বয়সে কোনও দীর্ঘ অসুস্থতার খবর ছাড়াই তাঁর আকস্মিক মৃত্যু হয়েছে। ফলে পরিবার, সহকর্মী, JMM এবং ঝাড়খণ্ডের রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
প্রশ্ন ১০: সুদিব্য কুমার সোনুর রাজনৈতিক জীবনের সঙ্গে কোন এলাকা বিশেষভাবে যুক্ত ছিল?
উত্তর: তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বড় অংশই গিরিডিকে কেন্দ্র করে। ২০১৯ ও ২০২৪—দুই নির্বাচনেই গিরিডি সদর থেকে জয়ী হন তিনি।