মধ্যপ্রদেশের সাগরে নয় জনের রহস্যমৃত্যু। শনিবার রাতের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে সাগর জেলার বান্দা বিধানসভা এলাকায়। সূত্রের খবর, মৃতরা সকলে মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। এ দিন মদ পানের পরেই একের পর এক ব্যক্তি আচমকা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু হাসপাতালে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় সকলের।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতরা মূলত পাতন, গুগরা, চৌকা এবং মাগরধা গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, বিষমদ পানের কারণেই সকলের মৃত্যু হয়েছে। তবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বাকি দিকগুলিও। দেহগুলি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে মৃত্যুর আসল কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানানো হয়েছে প্রশাসনের তরফে।
মৃতরা ঠিক কোন মদ খেয়েছিলেন এবং তা কোথা থেকে কেনা হয়েছিল, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ওই এলাকায় বেআইনি চোলাই মদের কারবার চলছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ ছাড়াও, প্রশাসনের তরফে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
দেশের একাধিক রাজ্যে বিষমদের কারণে মৃত্যুর ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে। গত মাসে গুজরাটের ভাবনগর জেলায় বিষমদ খেয়ে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তারও করেছিল পুলিশ। গুজরাটের ঘটনার তদন্তে জানা গিয়েছিল, মৃত ব্যক্তিরা একটি জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের মদ ভেবে ওই পানীয় গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু পরীক্ষায় ওই মদে ৩৮.৫৯ শতাংশ বিষাক্ত পদার্থ মেলে। উল্লেখ্য, গুজরাটে আইন অনুসারে মদ তৈরি, বিক্রি ও খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এ বার মধ্যপ্রদেশের সাগরে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি।
১. প্রশ্ন: কোথায় বিষমদ পানের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে?
উত্তর: মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলার বান্দা বিধানসভা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে।
২. প্রশ্ন: কত জনের মৃত্যু হয়েছে?
উত্তর: এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।
৩. প্রশ্ন: কী ভাবে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে?
উত্তর: সূত্রের খবর, বিষাক্ত মদ পান করার পর তাঁরা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তাঁদের মৃত্যু হয়।
৪. প্রশ্ন: মৃতরা কোন কোন এলাকার বাসিন্দা?
উত্তর: মৃতরা মূলত পাতন, গুগরা, চৌকা, নওরাজ এবং মাগরধা গ্রামের বাসিন্দা।
৫. প্রশ্ন: পুলিশের প্রাথমিক অনুমান কী?
উত্তর: পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বিষমদ পান করার কারণেই তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। তবে অন্য দিকগুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।