তৃণমূলের ফাঁসিদেওয়া -২ ব্লকের প্রাক্তন সভাপতি কাজল ঘোষ গ্রেপ্তার। তাঁর বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে। শনিবার রাতে ফাঁসিদেওয়া থানার বিধাননগর এলাকায় নিজের হোটেলের সামনে থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় ওই তৃণমূল নেতাকে। এ দিন গ্রেপ্তারের পরে কাজলকে প্রথমে খড়িবাড়ি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে ফাঁসিদেওয়া থানায় নিয়ে আসা হয়।
সূত্রের খবর, ফাঁসিদেওয়ার বড় পাইকপাড়ায় এক একর জমি দখল করে দোকান তৈরির অভিযোগ রয়েছে কাজলের বিরুদ্ধে। পাট্টা পাওয়া ওই জমির মালিক কল্যাণী গোস্বামী ৭ অগস্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তে নেমে কাজলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
স্থানীয়দের দাবি, কাজল ফাঁসিদেওয়া-সহ শিলিগুড়ি মহকুমায় অত্যন্ত প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। তিনি শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বোর্ডের সদস্যও ছিলেন। এমনকী, এর আগেও কাজলের বিরুদ্ধে জমি কেড়ে নেওয়া, বিরোধী দলের কর্মীদের ভয় দেখানো এবং তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু বিশেষ কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে দাবি স্থানীয়দের।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের বিধানসভা ভোটের পর থেকে রাজনীতির ময়দানে খুব একটা সক্রিয় ছিলেন না কাজল। সম্প্রতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল শিবিরে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বলে গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল রাজনৈতিক মহলে।
১. প্রশ্ন: কাজল ঘোষ কে?
উত্তর: কাজল ঘোষ তৃণমূলের ফাঁসিদেওয়া-২ ব্লকের প্রাক্তন সভাপতি। তিনি শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বোর্ডের সদস্যও ছিলেন।
২. প্রশ্ন: কেন কাজল ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে?
উত্তর: জমি দখলের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
৩. প্রশ্ন: কোথা থেকে কাজলকে গ্রেফতার করা হয়?
উত্তর: শনিবার রাতে ফাঁসিদেওয়া থানার বিধাননগর এলাকায় তাঁর নিজের হোটেলের সামনে থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
৪. প্রশ্ন: কোন জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে?
উত্তর: ফাঁসিদেওয়ার বড় পাইকপাড়ায় এক একর পাট্টা পাওয়া জমি দখল করে দোকান তৈরির অভিযোগ রয়েছে কাজলের বিরুদ্ধে।