• ফোন ধরাই কাল হলো, কেরালায় গাড়ির ধাক্কার মৃত্যু শিশুপুত্র-সহ দম্পতির
    এই সময় | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • বাড়ি ফেরার সময়ে ফোন এসেছিল। সেই ফোন কলের উত্তর দেওয়ার জন্য রাস্তার পাশে মোটরসাইকেল দাঁড় করিয়েছিলেন এক ব্যক্তি। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী এবং তিন বছরের পুত্রও। আর সেটাই কাল হলো। দ্রুতগতিতে আসা গাড়ি পিষে দিল তাঁদের। কেরালার ত্রিশূরের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে তিন জনেরই।

    পুলিশ জানিয়েছে, মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটেছে ত্রিশূরের গুরুভায়ুর-কুন্নমকুলম (Guruvayur-Kunnamkulam) হাইওয়েতে। এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে মুনির (৩৫), তাঁর স্ত্রী সাফনা (২৫) এবং তাঁদের তিন বছরের পুত্র ইয়ামিল আইবাক-কের। ওই তিন জন চাভাক্কাদের এদাক্কাঝিয়ুর (Edakkazhiyur) বাসিন্দা।

    পুলিশ সূত্রে খবর, স্ত্রী এবং শিশুপুত্রকে নিয়ে একটি বিয়ে বাড়িতে গিয়েছিলেন মুনির। ওই বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে, শনিবার মধ্যরাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    জানা গিয়েছে, বাড়ি ফেরার সময়ে মুনিরের মোবাইলে একটি ফোন আসে। কথা বলার জন্য রাস্তার পাশেই মোটরসাইকেল দাঁড় করান মুনির। সেই সময়ে দ্রুত গতিতে আসা একটি গাড়ি তাঁদের ধাক্কা মারে। সেই গাড়ির ধাক্কায় প্রায় ৫০ মিটার দূরে ছিটকে পড়েন মুনির এবং তাঁর স্ত্রী ও ইয়ামিল। তা দেখতে পেয়ে, স্থানীয়রাই তিন জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নিয়ে যান হাসপাতালে। সেখানেই তিন জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

    পুলিশ সূত্রে খবর, ওই গাড়িটি কুন্নমকুলমের দিক থেকে আসছিল। দুর্ঘটনার জেরে ক্ষতি হয় গাড়িটিরও। ওই গাড়িতে থাকা দু'জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে গাড়ির চালক পলাতক। ওই চালকের খোঁজে তল্লাশি চলছে বলেও জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

    প্রসঙ্গত, আগের দিনেই ত্রিশূর এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা লরিতে ধাক্কা মারে একটি গাড়ি। শুক্রবার রাতে, ত্রিশূর জেলার কাইপামঙ্গলমে ওই ঘটনায় মৃত্যু হয় আট জনের। মৃতরা সকলেই তামিলনাড়ুর দিন্দিগুলের (Dindigul) পিএসএনএ কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি-র পড়ুয়া।

  • Link to this news (এই সময়)