• ফাঁকা বাড়িতে ৮ বছরের আদিবাসী নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার প্রতিবেশী ‘মামা’
    এই সময় | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ফাঁকা বাড়িতে ৮ বছরের আদিবাসী নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল প্রতিবেশি যুবকের বিরুদ্ধে। রবিবার দুপুরে ঝাড়গ্রাম থানা এলাকার এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত প্রতিবেশী যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, তাঁকে ‘মামা’ বলে ডাকত নির্যাতিতা। ইতিমধ্যে নাবালিকাকে ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    পুলিশ ও নির্যাতিতার পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দুপুরে চাষ করতে গিয়েছিলেন নির্যাতিতার মা-বাবা। ঠাকুমা ছিলেন গোয়াল ঘরে। বাড়িতে ছোট ভাইকে নিয়ে একাই ছিল নাবালিকা। অভিযোগ, সেই সুযোগে বাড়িতে ঢুকে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী যুবক। তার পরে চুপিসাড়ে পালিয়ে যায়।

    ঠাকুমা বাড়ি ফিরলে কাঁদতে কাঁদতে গোটা ঘটনার কথা জানায় নাবালিকা। তিনিও কান্নায় ভেঙে পড়েন। ছুটে আসেন আশপাশেন লোকজন। ঘটনার কথা জানাজানি হয়ে যায়। নাবালিকার বাবা-মা বাড়ি ফিরতেই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এর পরেই গ্রামবাসীরা অভিযুক্ত যুবককে বাড়ি থেকে টেনে বের করে বেধড়ক মারধর শুরু করেন বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ। তাঁরা অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

    পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বয়স ৪৫ বছর। তিনি অবিবাহিত। বাড়ি বেলিয়াতোড়ে। পাঁচ-ছয় দিন আগে দিদির বাড়িতে এসেছিলেন। অভিযুক্তের দিদি নাবালিকার প্রতিবেশী। সেই সূত্রেই ছোটবেলা থেকে অভিযুক্তকে ‘মামা’ বলে ডাকত নির্যাতিতা।

    ঘটনার পরেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ঝাড়গ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে নাবালিকার পরিবার। থানায় নিয়ে যাওয়ার পরে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশও। নাবালিকার এক পিসি বলেন, ‘মেয়েটির উপযুক্ত চিকিৎসা এবং দোষীর কঠোরতম শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। ঝাড়গ্রামের পুলিশ সুপার মানব সিংলা বলেন, ‘অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং পকসো ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।’

  • Link to this news (এই সময়)