• ধসের জেরে ফুঁসে উঠছে তিস্তা, বিপদসীমার কানঘেঁষে বইছে জল! নদীপাড়ের বাসিন্দাদের নিরাপদ জায়গায় সরে যাওয়ার আর্জি, চলছে মাইকিং
    News18 বাংলা | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • মাঝরাতে পাহাড় ভেঙে ধস তিস্তার বুকে৷ ফের বড়সড় বিপর্যয়ের মুখে উত্তর সিকিম। ভূমিধসের জেরে বাড়ছে তিস্তার জলস্তর৷ নদীর জল বাড়ায় বাড়ছে উদ্বেগ। তিস্তায় জল বাড়ায় সতর্কতা জারি সমতলে। পাশাপাশি, নর্থ সিকিমের ডিকচু ডাম থেকে জল ছাড়ছে। কিছু কিছু জায়গায় তিস্তা নদীর জল বিপদ সীমার পাস দিয়ে বইছে। সূত্রের খবর, তিস্তাপারের বাসিন্দাদের নিরাপদ জায়গায় সরে যাওয়ার আর্জি জানান হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে৷ জলপাইগুড়ি গজলডোবা, তিস্তা সেতু সংলগ্ন এলাকায় চলছে মাইকিং।

    সূত্রের খবর, তিস্তা ও ছিয়াকুং নদীর সঙ্গমস্থলে নামে ওই বিধ্বংসী ভূমিধস। যার জেরে এই দুই নদীর গতিপথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। জল জমেছে চ্যাকুং এবং তিস্তা নদীতে। তিস্তায় জলের রঙ ঘোলাটে হয়েছে৷ ইতিমধ্যেই নজরদারী বাড়িয়েছে সিকিম সরকার। ফের ভারী বৃষ্টি হলে তিস্তার জলস্ফিতী বাড়তে পারে। তাই নর্থ সিকিম থেকে কালিম্পংয়ের তিস্তাবাজার পর্যন্ত তিস্তাপারের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ প্রশাসনের। এমনকী পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত নদীতে মাছ ধরতে বারণ করা হয়েছে। তবে তিস্তা নদীর প্রবাহ আপাতত শুরু হলেও হড়পা বানের আশঙ্কায় সতর্ক থাকার পরামর্শ। সিকিম পুলিশ কন্ট্রোল রুম খুলেছে। তিস্তাবাজার থেকে সেবক পর্যন্ত সতর্কতা জারি। সতর্কতা জারি জলপাইগুড়ির গজলডোবা সহ তিস্তাপারেও।

    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ৫ সেপ্টেম্বর গভীর রাত থেকে ৬ সেপ্টেম্বর ভোরের মধ্যে ছিয়াকুং নদীর উচ্চ অববাহিকায় এই ধস নামে। নাগা ফরেস্ট এলাকায় সদ্য নির্মিত নাগা তোসা সড়কের একটি বড় অংশ আচমকাই ভেঙে পড়ে। ঠিক থেং টানেলের উল্টোদিকে তিস্তা ও ছিয়াকুং নদীর মিলনস্থলে বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ জমা হওয়ায় নদীর গতিপথ আংশিকভাবে অবরুদ্ধ হয়ে যায়। আচমকা জলপ্রবাহ থমকে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
  • Link to this news (News18 বাংলা)