বাংলায় প্রথমবার ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। শুভেন্দু সরকারের বাংলার প্রথম পুজোর দিকে নজর সকলের। এবার থিমপুজোর ক্ষেত্রে সনাতনী সংস্কৃতিকে মাথায় রাখার কথা বলেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই পরিস্থিতিতে চাহিদা বেড়েছে সাবেকি প্রতিমার, এমনই দাবি মৃৎশিল্পীদের।
আসানসোল শিল্পাঞ্চলের অন্যতম মৃৎশিল্পী পাড়া আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার মহিশিলা পালপাড়া। এখানে প্রায় ১৫টি মৃৎশিল্পীর মূর্তি গড়ার কারখানা আছে। এখান থেকে শুধু আসানসোল শিল্পাঞ্চল নয়, ভিনজেলা ও ভিনরাজ্যে পাড়ি দেয় দুর্গাপ্রতিমা। এই পালপাড়ায় ঢুঁ মেরেছে সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল। সেখানে গিয়ে দেখা দিয়েছে সাবেকি প্রতিমার চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। মৃৎশিল্পী ডালিম দে, দীনবন্ধু পালদের দাবি, “টানা চোখ। ডাকের সাজের একচালা প্রতিমার চাহিদা এবার অনেক বেশি।” মৃৎশিল্পী বাপি পালও একথাই জানিয়েছেন। তিনিও জানান, এবার সাবেকি প্রতিমার চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। তাই সেরকমই প্রতিমা গড়ার কাজই চলছে সমানে।
বলে রাখা ভালো, সম্প্রতি নির্গুণানন্দ মহারাজ থিমপুজো নিয়ে নিজের মতামত জানান। তিনি স্পষ্ট দাবি করেন, থিমপুজো করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে দেশের নানা জায়গার মন্দিরকে থিম হিসাবে বেছে নিতে পারেন পুজো কমিটির সদস্যরা। সোমবার পুজো কমিটি সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকের পর রাজ্যের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন স্পষ্ট তিনি জানান, থিমপুজো চাইলে করা যেতেই পারে। তবে পুজো কমিটিগুলিকে খেয়াল রাখতে হবে, যাতে কোনওভাবেই সনাতনী সংস্কৃতিতে আঘাত না লাগে। তাই থিম ভাবনাচিন্তার ক্ষেত্রে পুজো কমিটিগুলিকে আরও সতর্ক হতে হবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। আর প্রতিমা বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও সাবেকির উপরেই জোর দেওয়া হয়েছে।