রাতের কলকাতায় যুবককে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠল এক দল দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। সোমবার একবালপুরের এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মারধর করে যুবকের কাছ থেকে নগদ টাকা, মোবাইল ও রুপোর চেন লুটের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পরেই একবালপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযুক্তদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই যুবক মৌলানা মহম্মদ আলি রোডের বাসিন্দা। একবালপুর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন তিনি। আচমকাই দুই যুবক তাঁর পথ আটকায় বলে অভিযোগ। চোখের নিমেষে তাঁদের সঙ্গে যোগ দেয় আরও সাত জন দুষ্কৃতী। যুবককে ঘিরে ফেলেন তাঁরা।
দুষ্কৃতীদের একজন যুবকের মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে খুনের হুমকি দেন বলে অভিযোগ। তার পর শুরু হয় বেধড়ক মারধর। যুবককে রাস্তায় ফেলে লাথি-ঘুষি মারতে থাকে দুষ্কৃতীরা। শেষে তাঁর গলা থেকে রুপোর চেন, মোবাইল ফোন এবং নগদ পাঁচ হাজার টাকা ছিনিয়ে চম্পট দেয়।
যুবকের চিৎকার শুনে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনার পরেই একবালপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, মারধর ও লুটপাটের ঘটনার নেপথ্যে এলাকার কুখ্যাত দুষ্কৃতী ভিকি ওরফে ‘ইটালির’ হাত থাকতে পারে। ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
প্রশ্ন: কোথায় ঘটনাটি ঘটেছে?
উত্তর: কলকাতার একবালপুরে।
প্রশ্ন: কাকে মারধর ও লুট করা হয়েছে?
উত্তর: মৌলানা মহম্মদ আলি রোডের বাসিন্দা এক যুবককে।
প্রশ্ন: কী কী লুটের অভিযোগ উঠেছে?
উত্তর: নগদ ৫ হাজার টাকা, মোবাইল ফোন এবং রুপোর চেন লুটের অভিযোগ উঠেছে।
প্রশ্ন: কীভাবে হামলা চালানো হয়?
উত্তর: অভিযোগ, প্রথমে দুই যুবক তাঁর পথ আটকায়। পরে আরও সাত জন দুষ্কৃতী এসে তাঁকে ঘিরে ফেলে। তাঁদের মধ্যে এক জন মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে খুনের হুমকি দেন বলে অভিযোগ। এরপর মারধর করা হয়।
প্রশ্ন: পুলিশ কী পদক্ষেপ করেছে?
উত্তর: ঘটনার পর একবালপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। পাশাপাশি ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।