• নাম করা বিরিয়ানির ব্র্যান্ড থেকে মিষ্টির দোকান, কলকাতার এই ৪০ দোকানের লাইসেন্স সাসপেন্ডের প্রস্তাব
    এই সময় | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • গত কয়েকদিন ধরে নানা রেস্তোরাঁ, একাধিক দোকানে অভিযান চালিয়েছে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। একাধিক রেস্তোরাঁ থেকে পচা মাংস-মাছ উদ্ধার হয়েছে। কোথাও ফ্রিজে রাখা মাংসের মধ্যে ছত্রাক দেখা গিয়েছে। কোথাও আবার মাছ পচে গিয়েছে বলে সামনে এসেছে। ১ থেকে ৭ সেপ্টেম্বরের অভিযানে একাধিক খাবার নষ্ট করেছেন খাদ্য নিরাপত্তা আধিকারিকরা। একাধিক নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ৮ সেপ্টেম্বর, সাংবাদিক সম্মেলন করে কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পান্ডে জানান, কলকাতায় এই অভিযানে ১২২৪ কেজি খাবার নষ্ট করা হয়েছে।

    তিনি জানিয়েছেন, রেস্তোরাঁ হাইজিন মেনে রান্না করছে কি না, রান্নার সময়ে কী ধরনের উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে, কত ভাবে পরিচ্ছন্ন রাখা হচ্ছে- সবটাই দেখা হয়েছে। তিনি জানান, যেখানে যেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হয়নি, সেখানেই কড়া পদক্ষেপ করা হয়েছে।

    একনজরে

    • ১–৭ সেপ্টেম্বর: কলকাতার বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও খাবারের দোকানে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের অভিযান।

    • অভিযানে কোথাও পচা মাংস-মাছ, কোথাও ছত্রাক ধরা মাংস উদ্ধার।

    • মোট ১,২২৪ কেজি খাবার নষ্ট করা হয়েছে।

    • একাধিক খাবারের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

    • অভিযানে আইনভঙ্গের অভিযোগে ৪০টি প্রতিষ্ঠানের ফুড লাইসেন্স সাসপেন্ডের প্রস্তাব।

    • তালিকায় রয়েছে এশিয়া হাউস, গোল্ডেন গেট, দাদা বৌদি হোটেল, ডন জিওভানিস, করিমস-সহ একাধিক রেস্তোরাঁ।

    • একাধিক মিষ্টির দোকানের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করা হয়েছে।

    • তালিকায় রয়েছে গিরিশ চন্দ্র দে অ্যান্ড কোং, শ্রী কৃষ্ণ সুইটস, বলরাম মল্লিক ও রাধারমণ মল্লিক, মাতৃ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, শীতলা মিষ্টান্ন ভাণ্ডার-সহ আরও দোকান।

    • নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় সংশোধনের পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলি নতুন করে ফুড লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে।

    ৮ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার বিকেলে কলকাতা পুরসভা সূত্রে একটি তালিকা সামনে এসেছে। সেখানে ৪০টি নাম দেখা গিয়েছে, যেগুলিতে অভিযানের সময়ে আইনভঙ্গের ছবি দেখা গিয়েছে, সেগুলির ফুড লাইসেন্স সাসপেন্ডের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুরসভার কমিশনার জানিয়েছেন, যাদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে, তারা ফের আবেদন করতে পারেন। যা যা বলে দেওয়া হয়েছে, সেগুলি মেনে নিয়ে নতুন করে আবেদন করলে পুরসভার তরফে ফুড সেফটি অফিসারেরা গিয়ে দেখবেন। সব ঠিক থাকলে নতুন করে ফুড লাইসেন্স পেয়ে যাবেন।

    একাধিক মিষ্টির দোকানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়েছে। কলকাতা শহরের বহু মিষ্টির দোকানের ফুড লাইসেন্স সাসপেন্ড করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    গোটা তালিকা দেখে নিন এখানে

  • Link to this news (এই সময়)