• কাটা গ্যাসের ডেরায় বিজেপির হানা, সিলিন্ডার ভর্তি গাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগ, গ্রেপ্তার যুবক
    এই সময় | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • বেআইনি গ্যাসের কারবার রুখতে অভিযানে নামলেন বিজেপি সদস্যরা। মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার দক্ষিণ তালবান্দার ঘটনা। অভিযানের সময়ে গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি একটি গাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নিউ ব্যারাকপুর থানার পুলিশ। বেআইনি গ্যাসের কারবার চালানোর অভিযোগে মিত্যুন সাহা নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যদিও গ্যাসের গাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।

    ভর্তি LPG সিলিন্ডার থেকে দেড়-দু’কেজি বা নির্দিষ্ট পরিমাণ গ্যাস বের করে নেওয়া হয়। তার পরে সেটা বিক্রি করে দেওয়া হয় গ্রাহকের কাছে। মূল সিলিন্ডারটিও ফের সিল করে দেওয়া হয়, যাতে বাইরে থেকে বোঝা না যায়। বিক্রি হয় সেটাও। এভাবেই সোদপুর-বারাসত রোডের পাশে দীর্ঘদিন ধরেই কাটা গ্যাসের কারবার চালানোর অভিযোগ উঠেছে একদল অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।

    এ দিন একাধিক গ্যাসের ডিলারের অফিসে হানা দেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। তাঁদের দাবি, একাধিক গোডাউনে কাটা গ্যাসের কারবার চলার প্রমাণ মিলেছে। বিজেপির কলকাতা উত্তর শহরতলির জেলা সম্পাদক শ্রীবাস বিশ্বাস বলেন, ‘সিলিন্ডার সিল করার যন্ত্র, গ্যাস ওজনের মেশিন পেয়েছি আমরা। এই অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি পুলিশের কাছে।’

    অভিযান চলাকালীন একটি সিলিন্ডার বোঝাই গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পদ্মশিবির। উল্টে তৃণমূল নেতাদের একাংশের বিরুদ্ধেই কাটা গ্যাসের কারবার চালানোর অভিযোগে সরব হন বিজেপির রাজ্য মহিলা মোর্চার সদস্য সোনিয়া হালদার। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য ঝর্ণা সরকার এবং তাঁর স্বামীর ইন্ধনেই প্রসেন কীর্তনিয়া নামে এক ব্যবসায়ী এই কারবার চালাতেন। প্রসেন এখন ফেরার।’ যদিও এই নিয়ে মুখ খোলেনি তৃণমূল।

    ঘটনার খবর পেয়ে নিউ ব্যারাকপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছেন পুলিশ আধিকারিকেরা। কোথা থেকে গ্যাস সিলিন্ডারগুলি আসত, কী ভাবে গ্যাস বের করে ফের সিল করা হত এবং এর সঙ্গে আরও কারা জড়িত—সবই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

  • Link to this news (এই সময়)