বড় বিরিয়ানির দোকান সহ কলকাতায় ৪০টি রেস্তোরাঁর লাইসেন্স সাসপেন্ড, ঘোষণা পুর কমিশনারের
আজ তক | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গত কয়েক দিন ধরেই কলকাতার প্রায় ১৬৭টি হোটেল, রেস্তোরাঁ, ছোট স্টল, বাজার ঘুরে দেখেন আধিকারিকরা। কোথাও মেলে ফ্রিজ ভর্তি পচা বা বাসি খাবার। কোথাও আবার দেখা যায় মিষ্টির দোকানে নোংরা, কীটপতঙ্গের ছড়াছড়ি। কোথাও মেলে কেজি কেজি ফাঙ্গাস ধরা খাবার। পচা মাংসও মেলে বেশ কিছু নামজাদা রেস্টুরেন্টে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, অনেকে বাইরে এখন খেতেও ভয় পাচ্ছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল হচ্ছে সেই ভিডিও।
গত তিন দিনে রাজ্যের ২,৩৩৭টি হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং খাবারের দোকানে তল্লাশি চালানো হয়েছে। কলকাতার পার্ক স্ট্রিটে অভিযানে একাধিক নামী রেস্তোরাঁর রান্নাঘরে অনিয়ম ধরা পড়ে। পচা মাংস, মেয়াদোত্তীর্ণ তেল, ছত্রাক ধরা আলু এবং বেবিকর্নের মতো সামগ্রী পাওয়া যায়। মিষ্টি তৈরির ছানার মান নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
ট্যাংরাতেও অভিযান চালিয়ে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়ে। সোনারপুরের একটি পরিচিত রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কামালগাজির মিষ্টির দোকান এবং ধনেখালির আইসক্রিমের দোকান থেকেও মেয়াদোত্তীর্ণ সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। গড়িয়ার একটি বাঙালি রেস্তরাঁয় পাওয়া গিয়েছে বাসি খাবার।
বনগাঁ এবং বাগদাতেও অভিযান হয়েছে। হেলেঞ্চা বাজারের একটি মিষ্টির কারখানায় ছত্রাক ধরা দই পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রান্নাঘরের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের পাশাপাশি মিষ্টিতে ক্ষতিকর রং ব্যবহারের অভিযোগও সামনে এসেছে।