পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব মমতাপন্থী তৃণমূলের। তবে মুখ থুবড়ে পড়ল তাঁদের অনাস্থা প্রস্তাব। মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে সুতি-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শাহানাজ বিবি বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে ব্যর্থ হন ‘বিদ্রোহী’রা। ফলে শাসনভার থাকল সুতির ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক ইমানি বিশ্বাসের পত্নী শাহানাজের হাতেই।
সুতি-২ পঞ্চায়েত সমিতিতে ৩০ জন সদস্য। তাঁদের মধ্যে ১৬ জনের সমর্থন নিয়ে বিধায়ক পত্নী শাহানাজ তথা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা হয়। রাজ্যের উচ্চ আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার কড়া নিরাপত্তায় অনাস্থা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন সভাপতি নিজেই। তাঁর পক্ষে থাকা সদস্যরা সঠিক সময়ে উপস্থিত হন। কিন্তু অনাস্থা আনা বিরোধীগোষ্ঠী কেউ উপস্থিত হননি। ফলে এক পাক্ষিকভাবে অনাস্থা ভোটে জয়ী হন শাহানাজ বিবি। এই জয়ের ফলে সভাপতি পদে পুনর্বহাল থাকলেন তিনি।
কিন্তু অনাস্থা আনার পর কেন বিদ্রোহী শিবির উপস্থিত থাকল না বৈঠকে। বিদ্রোহী শিবিরের অভিযোগ, পুলিশ আগের রাতে তাঁদের দুই সদস্যকে তুলে নিয়ে যায়। তাই আর সভা উপস্থিত থাকেননি। যদিও পুলিশ ও বিধায়ক শিবির সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। উল্লেখ্য, সুতির বিধায়ক ইমানি বিশ্বাস ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তাঁর স্ত্রীই শাহানাজ। আপাতত সুতি-২ পঞ্চায়েত সমিতির দখল শাহানাজ বিবির হাতেই।